Home » প্রথম পাতা » রূপগঞ্জ ভ’মি অফিসে অনিয়মই যেন নিয়ম

রেলওয়ের শত কোটি টাকার সম্পদ দখল

০৩ নভেম্বর, ২০২১ | ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 95 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ের জমি দখলের হিড়িক পড়েছে। বছরখানেক আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে যে জমিগুলো দখল মুক্ত করেছিল তাও পুনরায় দখল হয়ে যাচ্ছে। ২নং রেলগেইট এলাকায় দখল মুক্ত করা রেলওয়ের জায়গা পুনরায় দখল হয়ে যাচ্ছে। মূলত নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ের শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি নামে বে নামে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতা বছরের পর বছর দখল করে দোকানপাট মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। রেলওয়ের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের যোগসাজসে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাত করে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন নামে মার্কেট। আর মাঝে মধ্যেই এইসব মাকের্ট উচ্ছেদের নামে ভাঙ্গাগড়ার নামে চোর পুলিশের মত খেলা চলত রেলের সম্পত্তি নিয়ে। আর এই খেলার নামে যখনই যারা ক্ষমতায় থেকেছে তারাই কোটি কোটি টাকা সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী নেতা রেলওয়ের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি লীজের নামে এনে অন্যের কাছে মার্কেট করে সালামি নিয়ে কেটে পড়েছে। নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ের সম্পত্তি দিয়ে এই শহরকে একটি আধুনিক শহরে রূপান্তর সম্ভব। অথচ যখন যারা ক্ষমতায় এসেছে তারাই সরকারের এই দফতরে সম্পত্তি আত্মসাত করেছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেলপথের দুই পাশে শত শত কোটি টাকার সম্পত্তি দখল হয়ে ছিল। বিশেষ করে চাষাঢ়া থেকে নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশন পর্যন্ত রেলপথের উত্তর পূর্ব দিকের জায়গা দখল করে শত শত বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। যা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে নগরবাসী। তাদের দাবি নারায়ণগঞ্জ শহরকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য এইসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সড়ক প্রসস্থসহ রেল লাইনে দুই পাশ দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি ২নং রেলগেইট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত রেলপথের পাশ দিয়ে রিকসার লাইন করলে শহরের যানজট অর্ধেকে নেমে আসবে। এদিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল পথে ডাবল লাইন প্রকল্পের কারণে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান জোরেসোরে চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি ঘোষনা হয়েছে, ডাবল লাইন হবে চাষাড়া পর্যন্ত। তাই ২নং রেলগেট এলাকা থেকে শুরু করে চাষাড়া পর্যন্ত রেললাইনের দুই পাশ আবারো দখল হয়ে যাচ্ছে। আর এই দখলে সহযোগীতা করছে একটি সিন্ডিকেট। যারা আবার চাঁদাও আদাই করছে। গতবছর গত ১৬ অক্টোবর থেকে জোরেসোরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে ৫ কোটি টাকাও বেশী চাঁদা থোলা হয় রেলওয়েকে দেয়ার নামে। তারপরও উচ্ছেদ থামেনি। পরবর্তিতে বলাহয় যতটুকু উচ্ছেদ হয়েছে আর যাতে উচ্ছেদ না হয় এ জন্য আরো দু’কোটি আদাই করা হয়েছিল। বর্তমানে ডাবল লাইন না হওয়ায় নতুন করে চাঁদা তুলা হচ্ছে। ২নং রেল গেইট এলাকার জনৈক থান ব্যবসায়ী জানান, দখল নিয়ে কোটি টাকার চাঁদার মিশনে নেমেছে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতা। যারা কথায় কথায় নিজেদের ক্লিনম্যান হিসাবে দাবি করে থাকেন। এদিকে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জে রেলওয়ের স্টাফ কোয়ার্টার ও থান কাপড়ের মার্কেটের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাতে কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল একটি চক্র।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *