আজ: শনিবার | ৩০শে মে, ২০২০ ইং | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ৭ই শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী | বিকাল ৪:৪২
শিরোনাম: রূপগ‌ঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ৬৩, মোট ৩০৭     সৈয়দপুর মানসিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধা ধর্ষণের শিকার     না.গ‌ঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রা‌ন্তের রেকর্ড ১৫২ জন,মোট আক্রান্ত ২৬৮৪     প্রবাসে বাংলাদেশিদের মৃত্যু অনেকটাই নিয়তিতে পরিণত হয়েছে     ৭ জুন থেকে স্পেন তুলে নেয়া হচ্ছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা , চালু হচ্ছে ফ্লাইট     বিশ্বকাপ বোনাসের অংশ পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা     পশ্চিমবঙ্গে আম্ফানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে শাহরুখ     কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি,জন্মদিনে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন অসংখ্য অনুরাগী     সিদ্ধিরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু     সহনীয় ও যুক্তিযুক্ত বাসভাড়া হয় সে জন্য না.গঞ্জবাসীর পাশে দাড়াবেন এসপি জায়েদুল    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

রেললাইনের পাশে অবৈধদোকানপাট পথচারিদের মরণ ফাঁদ

ডান্ডিবার্তা | ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ | ১:০০

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল পথের নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেল গেইট থেকে ২নং রেল গেইট এলাকায় আবারো রেল লাইনের দুই পাশের জায়গা দখল করে বসানো হয়েছে অবৈধ দোকান। এতে করে ট্রেন আসলে দেখতে পাচ্ছে না পথচারীরা। আবার আচমকা ট্রেন আসা দেখে দোকানের কারণে রেল লাইন থেকে সরে যাওয়ার জায়গা পাচ্ছে না পথচারীরা। এমতাবস্থায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় ঝড়ছে মানুষের জীবন। অবৈধ স্থাপানার কারণে এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে এই জায়গা। এমনই এক ঘটনা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে ফিরেছেন রোমান নামে এক যুবক। গতকাল শনিবার দুপুরে সেই যুবকের এমন অভিজ্ঞতা ঘটে। ওই সসময়ে দুপুরে ১নং রেল গেইট থেকে ২নং রেল গেইটের দিকে আসছিল সে। যখন সে ফকিরটোলা জামে মসজিদ পার হয় এমন সময় পেছন থেকে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ শুনতে পায়। পেছনে তাকিয়ে দেখে একেবারে সামনে চলে এসেছে ট্রেন। এমন সময় রেল লাইন থেকে সড়ে যাওযার চেষ্টা করলে দুই পাশেই অবৈধ দোকানের জন্য সরতে পারে না। এমতাবস্থায় জীবন বাঁচাতে দোকানের উপর উঠে যায় সে। ভুক্তভোগী যুবক রোমান বলেন, দোকানগুলো এমন ভাবে বসানো হয়েছে যে দুর থেকে ট্রেন আসছে কি না দেখার কোনো উপায় নেই। দোকানের কারণে কোথাও যাওয়া যায় না। সড়কে এক পাশে ফুটপাত থাকলেও অপর পাশে নেই। যে কারণে কেউ যাতায়াত করতে হয় তাহলে রেল লাইনের উপর দিয়েই যেতে হয়। যদি দোকানের উপর না উঠে যেতাম তাহলে আমারও মৃত্যু হতে পারতো। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই নারায়ণগঞ্জ শহরে থাকি। ১নং রেল গেইট থেকে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত জায়গায় যতগুলো ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে এর অধিকাংশ ঘটেছে এই দোকানগুলোর কারণেই। কারণ যখন ট্রেন আসে তখন দূর থেকে দেখা যায় না। যখন দেখা যায় তখন মানুষ হুড়োহুড়ি শুরু করে দেয়। আর এই হুড়োহুড়িতে পড়েই অধিকাংশ মানুষ দুর্ঘটনার কবলে পরে। জানা যায়, গত ১৬ জুন সকাল থেকে রেল গেইট থেকে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত এসপির নির্দেশে উচ্ছেদ অভিযান চালায় সদর মডেল থানা পুলিশ। এরপর দীর্ঘদিন রেল লাইনের দুই ধারের জায়গা দখলমুক্ত থাকলেও সম্প্রতি আবারো দখলে চলে গেছে এই এলাকা। এমতাবস্থায় আবারো দুর্ঘটনার কবলে পরে জীবন যেতে পারে যে কোনো পথচারীর বলে বনে করছেন নগরবাসী। এ প্রসঙ্গে সাকলাইন হোসেন বলেন, বারবার দখল মুক্ত করার পরেও কিভাবে আবার তাঁরা ফিরে আসছে এটা ভাবতে হবে। এই দখলদাররা সরাসরি এখানে আসতে পারে না। নিশ্চয় তাঁদেরকে কেউ না কেউ সহযোগীতা করে। যাদের মদদে এসব অবৈধ দখলদার আবার ফিরে আসছে তাঁদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সম্প্রতি ডাবল রেল লইন প্রকল্পের জন্য এই অংশের জায়গা দখল মুক্ত করা গুণজন শোনা যাচ্ছে। তবে কবে নাগাদ কাজ শুরু করবে তা স্পষ্ট না। এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশনের স্টেশন মাষ্টার গোলাম মোস্তফার সাথে দেখা করার জন্য স্টেশনে গেলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। রেল স্টেশনের এক কর্মী জানান লাঞ্চ আওয়ার হওয়ায় তিনি খাওয়ার জন্য বাইরে গেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *