Home » প্রথম পাতা » ওসমান পরিবারের সাথে কোন দ্বন্দ্ব নেই: আইভী

শহরে যানজটের অন্যতম কারণ গ্রীণ অনাবিল ও মৌমিতা

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ | ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 48 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জ টু গাজীপুর রুটে গ্রীণ অনাবিল ও নারায়ণগঞ্জ টু চন্দ্রা রুটে মৌমিতা ট্রান্সপোর্টের গাড়ি গুলো নিয়মিতভাবে চলাচল করছে। এই পরিবহন গুলোর বিরুদ্ধে নগরবাসী ও যাত্রীদের অভিযোগের শেষ নেই। শহরের যানজট সৃষ্টিকারী যানবাহন গুলোর মধ্যে অন্যতম পরিবহন হচ্ছে এই দুই ট্রান্সপোর্ট। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই মহাসড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই পরিবহন গুলো। এছাড়া তাদের বেহাইয়াপনা যেন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি নগরবাসীর। একে তো নেই রুট পারমিট তার ওপর আবার রাস্তার মাঝখানে গাড়ি রেখে যানজটের সৃষ্টি করে ও যাত্রী উঠানামা করে। পরিবহন গুলো রুট পারমিট না থাকার পরেও প্রবেশ করছে নারায়ণগঞ্জের প্রাণ কেন্দ্র চাষাঢ়ায়। রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে পাকিংয়ের স্ট্যার্ন্ড  করে যানজট সৃষ্টি করছে শহরের মেট্রোহল এলাকায়ও। বেশ কিছু দিন যাবত জেলা ট্রাফিক পুলিশ সোচ্চার হওয়ায় দেখা যায় কিছু গাড়ির ফিটনেস সহ বিভিন্ন  কাগজ আছে কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়েছে কয়েক বছর আগেই। আর বেশির ভাগ পরিবহনেরই নেই কোন কাগজ। এদিকে জানা যায় মৌমিতার ৩০টি বাসের অনুমোদন নেয়া হলেও চলছে ১২০ টির বেশি বাস। আর গ্রীণ অনাবিলতো মানছেই না কোন নিয়মকানুন। বিভিন্ন সূত্রে থেকে জানা গেছে, প্রায় কয়েক বছর আগে বিআরটিএ এর কাছে গ্রীন অনাবিল পরিবহনের কর্মকতারা সাইনবোর্ড থেকে চাষাঢ়ায় প্রবেশ করার অনুমতি চায়। কিন্তু বিআরটিএ তাদের এই সড়কে চলাচলের রুট পারমিট দেয়নি। তবে লিখিত অনুমতি পত্র জমা দেয়ার কয়েক মাস পর থেকেই চাষাঢ়ায় প্রবেশ শুরু করে গ্রীন অনাবিল পরিবহন। পথচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রীণ অনাবিল ও মৌমিতা গাড়ি গুলো চাষাঢ়ার শহীদ মিনার ও শান্তনা মার্কেটের সামনের রাস্তার মাঝখানে রেখেই প্রতিনিয়ত যাত্রী উঠায়। এবং রাস্তার মাঝখানে গাড়ি রাখার কারণে শহরে অনেক যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই এই পরিবহন গুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়াতে হবে বলে জানা তারা। গ্রীণ অনাবিলের এক কর্মকর্তা কামাল সরকার জানান, রুট পারমিটের জন্য সকল কাগজ বিআরটিএর অফিসে জমা দেয়া আছে। করোনার কারনে মিটিং করা যায়নি। আর চাষাঢ়ায় তিন জন লোক রাখা হয়েছে। এখন আমাদের গাড়ি রাস্তার মাঝখানে রেখে যানজটের সৃষ্টি করে না ও যাত্রী উঠানো-নামানো করা হয়না। বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পরিচালক (ইঞ্জি:) সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরী বলেন, গ্রীণ অনাবিল পরিবহনের রুট পারমিট সাইনবোর্ড পযর্ন্ত। এবং আমরা আমাদের নিয়মিত মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে পরিবহন গুলোকে জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক পুলিশ (প্রশাসন) টিআই এডমিন কামরুল ইসলাম বেগ বলেন, রাস্তার মাঝখানে পার্কিং করা ও ফিটনেস বিহীন গাড়িগুলোকে আমরা নিয়মিত অভিযানে সার্জেন দ্বারা জরিমানার আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছি।

 

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *