Home » শেষের পাতা » ডিএনডির জলাবদ্ধতা মুক্ত করতে প্রস্তুত পাম্প হাউস

শামীম ওসমান যা বলে তাই করি

১০ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:১০ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 104 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

গোগনগরে নৌকা প্রতীক চেয়েছিলেন ফজর আলী। দল তাকে মনোনীত করেননি। এখানে দলীয় প্রার্থী হিসেবে জসিম উদ্দিনকে করা হয় নৌকার মাঝি। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীর পক্ষেই থাকার কথা ছিলো নারায়ণগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মামুনের। কিন্তু তিনি সেটি না করে শুরু থেকেই ফজর আলীর পক্ষ নিয়ে নৌকার বিরোধীতা শুরু করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। সম্প্রতি এর কারণ জানতে চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। গত ৬ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সভায় মামুনকে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তাকে পরদিন শোকজ করে দলীয় প্যাডে চিঠি দেওয়া হয়। গত সোমবার তিনি শহরের দুই নং রেল গেট এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে শোকজের চিঠি নিতে আসেন আল মামুন। এখানে এসে তিনি ঘটিয়ে ফেলেন তুলকালাম কা-। কেন তিনি ফজর আলীর পক্ষে কাজ করছেন, তা-ও জানান ক্ষোভের সাথে। একই সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সেক্রেটারি আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল তার কাছে কিচ্ছু নয় বলেও দাবি করেন। আব্দুল্লাহ আল মামুন ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের নির্দেশক্রমে কাজ করেন বলে দাবি করেন। একই সাথে তিনি আরও দাবি করেছেন, শামীম ওসমানই তার নেতা। তার নিদের্শনাক্রমেই তিনি ফজর আলীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। ফজর আলীর পক্ষে নির্বাচনে যে কাজ তিনি করছেন সেটি তার ইচ্ছেতে নয় বলেও জানিয়েছেন। মোদ্দা কথায়, তার দাবি, তিনি যা করছেন, করেছেন তা পুরোটাই করেছেন শামীম ওসমানের নির্দেশে। আল মামুন দাবি করেছেন, এমপি (শামীম ওসমান) যা বলবে, আমি তাই করবো। আমিতো আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় যাাই নাই (ফজর আলীর পক্ষে)। শামীম ভাই বলছে ফজর আলীর পক্ষে যেতে। এটা আমি মিটিংয়েও বলেছি। ফজর আলীকে নিজের প্রার্থী উল্লেখ করে মামুন আরও বলেন, আমার প্রার্থী নৌকা পায় নাই। এখন আমি সরে যাবো! এটা হয় না। যিনি নৌকা পেয়েছে, তিনি আগেও নৌকা নিয়ে নির্বাচন করে ফেল করেছে। আমি তার পক্ষে যাব না। এসব তথ্য সম্বলিত একটি সংবাদ স্থানীয় একটি দৈনিক প্রকাশ করে। তারা ওই সংবাদে দাবি করেছে, আল মামুনের এসব বক্তব্য গোপন ভিডিওতে ধারণও করেছে তারা। তবে, এ সম্পর্কে জানতে নারায়ণগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি একটি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে ফোন কলটি কেটে দেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আল মামুন ফজর আলীর পক্ষে শেষ প্রচারণা ছিলেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *