আজ: শনিবার | ২৩শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১০ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ৮:১১

সংবাদ দেখার জন্য ধন্যবাদ

শীর্ষ নেতাদের কোন্দলের ভূঁইফোড় সংগঠনের নেতাদের দাপট বাড়ছে ‘লীগ ‘জুড়ে দেয়া ভূঁইফোড় সংগঠনে সয়লাব

২৮ নভেম্বর, ২০২০ | ৭:৪৮ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 102 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নেতায় নেতায় কোন্দল, মনোনয়ন যুদ্ধ, উত্তর-দক্ষিণ মেরুর বিভাজনসহ না কারণে আওয়ামীলীগের সরকার ক্ষমতায় থাকলেও নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক ভাবে এখনো গতি ফিরে আসেনি। জেলা আওয়ামীলীগের নেতাদের বিভাজনে দলের নেতাকর্মীরা বিচ্ছিন্ন ভাবে পালন করে আসছে দলীয় কর্মসূচি। আর মহানগর আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতাই সুবিধাবাদি ও কর্মবিহীন। তাই দলীয় কোন কর্মসূচী একক ভাবে পালন করতে বেশ বেগ পুহাতে হচ্ছে তাদের। তাছাড়া জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ কমিটির নেতারাও কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এছাড়াও থানা ও মহানগরীর ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামীলীগে ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি যুগ পাড় হয়ে গেলেও পুনগঠন করা হচ্ছে না। তবে সোনারগাঁ. ফতুল্লা, বন্দর ও নারায়ণগঞ্জ সদর আওয়ামীলীগের সম্মেলন হলেও তা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। পাশাপাশি এখনো পর্যন্ত চারটি কমিটিই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। সম্মেলনের এক বছরেও কমিটি পূর্ণাঙ্গ না হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না। আর মহানগর আওয়ামীলীগের কমিটির মেয়াদ আড়াই বছর আগেই শেষ হলেও এখনো পর্যন্ত ২৭টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করতে পারেনি। মূলত নেতায় নেতায় কোন্দলের কারণেই ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলো গঠন সম্ভব হয়নি। আবার কোন কোন ইউনিটে কমিটি আছে তবে নেতার কোন অস্তিত্ব নেই। তাই সব মিলিয়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দল ক্ষমতায় থাকলেও নারায়ণগঞ্জে সাংগঠনিক ভাবে পিছিয়ে রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ। অনুসন্ধানে জানাগেছে, কমিটিগুলো পুনগঠন না হওয়ায় এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নেতা বনে গেছে অনেক বিতর্কীতরা। নজরদারী না থাকায় আওয়ামী লীগ ঘরাণার রাজনীতিতে ৯টি সহযোগি সংগঠন ছাড়া অন্যকোন সংগঠন না থাকলেও নামের পরে ‘লীগ ‘জুড়ে দেওয়া ভূঁইফোড় সংগঠন এখন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন অলিগলিতে ছেয়ে ছেঁয়ে গেছে। মূলত শীর্ষ নেতাদের দ্বন্দ্ব ও নেতৃত্ব পরিবর্তন না হওয়ায় ভূঁইফোড় সংগঠনের দাপট দিন দিন বাড়ছে। যা নিয়ে দলের মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী কর্মীরা বিব্রত। এসকল ভূঁইফোড় সংগঠনের নেতারা জমি দখল, মাদক ব্যবসা, ঝুট ও তেল সেক্টর নিয়ন্ত্রনসহ নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। এতে দলের ইমেজ ক্ষুন্ন হচ্ছে। তাই রাজনীতির মাঠের বাইরে রয়েছে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা। যে কারনে দলের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসছে না। তবে রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছে কমিটি থাকলে সুনিষ্ট একটি ব্যানারের মাধ্যমে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালত হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সু সংগঠিত ভাবে সংগঠনের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হতো। এ জন্য মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি গঠনের কোন বিকল্প নেই। কর্মীদের মতে, মহানগরের ২৭টি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও ইউনিয়নের ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলোর মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে অনেক বছর থরে। মেয়াদ উর্ত্তীণ কমিটি দিয়েই পরিচালিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড। দলের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগকে নতুন করে সাজানো এখন সময়ের দাবি। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের তৎপরতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন দলের তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। কর্মীদের অভিযোগ, মহানগর আওয়ামীলীগের নেতারা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। অনেকেই এখন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বলে গেছে। পাশাপাশি যোগ্যতা না থাকলেও পদ-পদবী আকরে রেখেছেন মহানগর আওয়ামীলীগের অনেক নেতা। কেউ বা আবার রাজনীতির মাঠে না থাকলেও বিএনপির নেতাদের সাথে মিলে ব্যবসা করছেন। আবার ব্যবসার মুনাফা নিয়ে বিদেশ ভ্রমন করছেন।



Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Top