Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

শেষ সময়ে প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা

০৯ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:২৮ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 75 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আজ মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণার শেষ দিন।  নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিশাল বিশাল শো-ডাউন করছেন প্রার্থীরা। নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। যদিও ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী সহিংসতা হয়েছে। তবে কমে যায়নি নির্বাচনী আমেজ। আজ মঙ্গলবার প্রচারণার শেষ দিনে বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা বিশাল বিশাল শো-ডাউন করছেন বলে জানাগেছে। মূলত আগামী ১১ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৭ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন প্রার্থীরা। কিন্তু শেষ সময়ে প্রতিটি ইউনিয়নে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন প্রার্থীরা। পাড়া-মহল্লায় মিছিলে মিছিলে উৎসবমূখর পরিবেশ তৈরী হয়। যদিও অনেক ক্ষেত্রে নির্বাচনী আচারণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি বেশ কয়েক জায়গায় নির্বাচন ইস্যুতে সহিংসতার খবরও পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সকালে থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল ৮ থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা নেমে পড়েন প্রার্থীরা। বিভিন্ন জায়গায় উঠান বৈঠকে এক প্রার্থী অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে সমালোচনা করতেও দেখা গেছে। এদিকে, ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৫টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সেই পাঁচটিতে ভোটের আমেজ কিছুটা কম দেখা গেছে। অভিযোগে রয়েছে, বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান হওয়ার পর মেম্বার প্রার্থীদের উপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। তবে বাকি ১১টি ইউনিয়নে প্রার্থীরা সরব থাকায় ভোটারদের কদর বেড়েছে। ভোটারদের মন জয় করতে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে ভোটাররা বলছেন, কোন প্রতিশ্রুতিতে নয়, যারা যোগ্য তাদেরকেই ভোট দিবেন। জানাগেছে, গত ২৬ অক্টোবর  নারায়ণগঞ্জ সদর, বন্দর ও রূপগঞ্জ উপজলোর ১৬ ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ছিলো। সেদিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন ৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী। এর ফলে ৫ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী শুন্য হয়ে পড়ে। ইউপিগুলো হলো- সদর উপজেলার বক্তাবলী ও কুতুবপুর, রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল, ভুলতা ও মুড়াপাড়া। তারা হলেন- বক্তাবলী ও কুতুবপুরে এম শওকত আলী ও মনিরুল আলম সেন্টু, রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল, ভুলতা ও মুড়াপাড়ায়  কামরুল হাসান ভূঁইয়া (তুহিন), আরিফুল হক ভূঁইয়া ও তোফায়েল আহমেদ আলমাছ। এছাড়া ৪টি সাধারণ সদস্য ও ১১টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদেও একক প্রার্থী থাকায় ওই পদগুলোতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে না।  জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, আপীলের পর ১৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৬০ জন। শেষ দিনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিল ৯ জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হচ্ছেন ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী। অন্যদিকে আপীলের পর সাধারণ সদস্য পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৬০২ জন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন ৫৫ জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন ১১ জন। সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১৬৫ জন। তাদের মধ্যে ১০ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ৪ জন সদস্য প্রার্থী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ নভেম্বর। এই দিন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুর, গোগনগর, আলীরটেক, এনায়েতনগর; বন্দর উপজেলার বন্দর, কলাগাছিয়া, ধামগড়, মুছাপুড়, মদনপুর এবং রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ও ভোলাব ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই ১১ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়েছেন ৪৬ জন। অন্যদিকে সাধারণ সদস্য পদে ৫৩৬ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৫১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আজ মঙ্গলবার প্রচারণার শেষ দিন হওয়ায় শেষ বারের মত তাক লাগানো প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন প্রার্থীরা।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *