Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

সরকার বিরোধীরাই আইভীর শক্তি

০৯ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 76 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

গত শনিবার জেলা আওয়ামীলীগের ওয়াকিং কমিটির সভায় মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীসহ তার বলয়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন না। মূলত স্থানীয় আওয়ামীলীগের অধিকাংশ শীর্ষ নেতার সাথেই তার তেমন সুসম্পর্ক নেই। তবে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক না থাকলেও যারা আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী তাদের সাথেই বেশ সুসম্পর্ক রয়েছে। যারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকারের কড়া সমালোচনা করে আসছে তারাই মেয়রের ঘনিষ্টজন। এছাড়াও যদি প্রশ্ন করা হয়, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগে কোন্দলের কারিগর কে? একবাক্যে নেতা-কর্মীরা বলবেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সিটি মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভী। মূলদল ও অংগ সংগঠনে ভিন্নদল, উপদল, বিদ্রোহী, বিরোধী যা কিছু বর্তমানে রয়েছে তার নেপথ্য ও প্রকাশ্য কারিগর হচ্ছেন তিনি। শুধু দলে নয়, বিগত সংসদ এবং স্থানীয় নির্বাচনগুলোতেও মূলধারার বাইরে বিভিন্ন জনকে প্রভাবিত করে দলের অভ্যন্তরে বিশৃংখলা তৈরী করে রেখেছিলেন আইভী। তবে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চুপ তিনি। যদিও কারণ দেখাচ্ছেন তিনি মেয়র, তাই প্রকাশ্যে ভোট চাওয়া যাবেনা। তাই তিনি চুপ। আসলেই কি তাই? এমন নানা অভিযোগ আর প্রশ্ন তুলে দলীয় নেতা-কর্মীরা জানায়, ইউপি নির্বাচন নিয়ে আইভী চুপ থাকার প্রধাণ কারণ হচ্ছে সামনে সিটি নির্বাচন। নিজের নির্বাচনে যেন কেউ তার বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলতে না পারে সেজন্য তিনি চুপ। আর এই মুহুর্তে পূর্বের মতো কোন্দাল তৈরী করলে দলীয় হাইকমান্ডের বিরাগভাজন হতে পারেন। একারণে তিনি চুপ। বিগত দিনের স্মৃতিচারণ করে নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, সদর-বন্দর আসনে চারবারের এমপি নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে তার প্রতি সম্মাণ দেখিয়ে প্রার্থী দেয়নি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ঐ নির্বাচনে ঢাকা থেকে ফুসলিয়ে এনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এস এম আকরামকে দাঁড় করানো হয়। শুধু তাই নয়, আইভীর ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মী, সমর্থক, ঠিকাদার, কাউন্সিলরদের অনেকেই সেদিন এস এম আকরামের পক্ষে কোমর বেধে মাঠে নামিয়ে ছিলেন আইভী। যেখানে খোদ আওয়ামী লীগ সম্মান দেখিয়ে প্রার্থী দেয়নি, সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এস এম আকরাম যে ভোট পেয়েছিলেন, তাতে পেছনে বড় শক্তি কাজ করেছে এটা বুঝতে কারো বাকী নেই। সেই শক্তিই হলেন মেয়র আইভী। যিনি নির্বাচন এলেই তথাকথিত জুজুর ভয় দেখিয়ে ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে একাট্রা করেন বিএনপি, জামায়াত, বামসহ বিরোধী পক্ষকে। বিগত সংসদ নির্বাচনের আগে আইভীপন্থী হিসেবে খ্যাত অন্তত ৫ জন নেতা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রচারণা চালায় দুটি আসনে। বিগত উপজেলা নির্বাচনেও একই অবস্থা ছিলো। অনেক নেতাকর্মী দাবি করেন, বন্দরে আইভীর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারকে চেয়ারম্যান করতে খোদ প্রধাণমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন আইভী। কিন্তু দেখা পাননি। যে কারণে দূরত্ব বেড়ে যায় ঐ সম্ভাব্য প্রার্থীর সঙ্গে। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে শোনা যায়। শুধু শহর, বন্দর, ফতুল্লা নয়, সোনারগাঁ এবং আড়াইহাজারেও ইতিপূর্বে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছিলেন মেয়র আইভী। বিগত ইউপি নির্বাচনেও নেপথ্যে থেকে রাজনৈতিক খেলা খেলেছেন আইভী।  সেই আইভী এবার একেবারেই চুপ! সবই কি, আসন্ন সিটি নির্বাচন কেন্দ্র করে? নাকি অন্য কিছু. .

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *