আজ: রবিবার | ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৪ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি | সকাল ৭:৫৫

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

সর্বত্র বিক্ষোভ হলেও খোকার ড্যামকেয়ার

ডান্ডিবার্তা | ২১ নভেম্বর, ২০২০ | ৭:৫২

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সোনারগাঁয়ে জি আর ইনিষ্টিটিউশনের ফটকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নামফলক ভাঙ্গার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিলসহ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীসহ জেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মী ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করলেও সোনারগাঁয়ের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না এমনটাই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনের মানুষদের। জাতীয়পার্টির ঘেষা অনেক আওয়ামীলীগারও এ ঘটনায় বিব্রত বোধ করছেন। গত বুধবার সাবেক সাংসদ কায়সার হাসনাত বর্তমান সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। এর আগে মহানগর আওয়ামীলীগ ঘটনার পরপরই শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ঘটনার জন্য সাংসদ খোকা ক্ষমা না চাইলে জেলা অচল করে দেয়ার হুশিয়ারী উচ্চারন করেন। গতকাল শুক্রবারও খোকার বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়। ঘটনার চারদিন পার হলেও সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা এ ব্যপারে মুখ খুলেনি। বরং গতকাল তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ আওয়ামীলীগ জেলা আওয়ামীলীগের নেতাদের নিয়ে সভা সমাবেশ করার সময় সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা শহরের বালুর মাঠস্থ প্যারাডাইস ভবনে তার এক সহকর্মী আজিজুর রহমান বাদলের কন্যার বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি নিজে উকিল নিযুক্ত হন। এ সময় সাংসদ খোকাকে অনেকটাই খোশ মেজাজে দেখা গেছে। তার এই খোশ মেজাজীভাব দেখে কেউ কেউ বলেছেন, এসব আন্দোলন সংগ্রামকে লিয়াকত হোসেন খোকা থোরাই কেয়ার করে। এদিকে জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভানেত্রী সেলিনা হায়াত আইভীসহ জেলার অধিকাংশ নেতা মুখ খুললেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সোনারগাঁ আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সামসুল ইসলাম ভ’ইয়ার ভ’মিকা নিয়ে খোদ আওয়ামীলীগে চলছে নানা ধরনের নানা কথা। এদিকে গত বৃহস্পতিবার লিয়াতক হোসেন খোকাকে সোনারগাঁয়ে অবাঞ্চিত ঘোষণার পর গতকাল সোনারগাঁয়ে আওয়ামীলীগের অপর অংশের সভা থেকে আবারো সাংসদ খোকাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে সভা থেকে মাহফুজুর রহমান কালাম বলেন, আমি পৌরবাসীর উদ্দ্যেশে বলতে চাই লিয়াকত হোসেন খোকা এখানে বেতন মওকুফ করতে আসেনি। তিনি এসেছেন তার স্ত্রী কে পৌরসভার মেয়র বানাতে। যেখানে সরকার প্রজ্ঞাপন জারী করে শুধু বেতন নিতে পারবে অন্য কিছু না। আর নামফলক ভেঙ্গে তিনি গুডামী দেখাতে এসেছেন। এসময় তিনি লিয়াকত হোসেন খোকাকে হুসিয়ারী দিয়ে বলেন, আমাদের সাথে গুন্ডামী করতে আসবে না। গুন্ডামী করে সকাল বেলা ভোট মেরে মেয়র নিয়ে যাবেন। আরে ভাই সোনারগাঁয়ে রাজনৈতিক গুন্ডা হলাম আমরা। আমাদের সামনে গুন্ডামী করতে আসবেন না। অনেক ধৈয্য ধরেছি আর না। আপনি আওয়ামীলীগ ও শেখ হাসিনার দয়ায় এমপি হয়েছেন। আর এখন বিএনপির জামায়াতের ১০ মামলার আসামী নিয়ে জাতীয়পার্টি গঠন করেছেন। এসময় তিনি তার স্ত্রী পোষ্টারে ছবি প্রসঙ্গে বলেন, তিনি তার স্ত্রীর সমর্থনে পোষ্টারে ৫ নেতার ছবি দিয়ে পোষ্টার করেছেন। এখন দেখলাম সেই সেই পোষ্টারে ২জন নেতার ছবি রয়েছে। আর কয়দিন পর দেখবেন কারো নাম নেই। তাই ভাল হয়ে যান। আওয়ামীলীগ ক্ষেপে গেলে সোনারগাঁয়ে আসতে পারবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *