আজ: শুক্রবার | ৭ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৭ই জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | সন্ধ্যা ৬:৩২
শিরোনাম: সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ (এএসআই) চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার     গত ২৪ ঘন্টায় নারায়ণগঞ্জে নতুন করে আরও ১২ জন আক্রান্ত     করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭ জনের মৃত্যু,শনাক্ত ২৮৫১ জন     মেজর সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপসহ তিন আসামি সাতদিনের রিমান্ডে     আমি আপনাদের ভালবাসা আর দোয়ায় বেঁচে আছি: সেলিম ওসমান     আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য আড়াইহাজারে গ্রেপ্তার     ফতুল্লার কাশিপুরে ভবন ধস     আড়াইহাজারে ২ পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও টেটাবিদ্ধসহ ৫ জন আহত     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস বাংলা ভাষায় তার অন্যতম জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম     সৌদিতে আটকেপড়ারা আগামী শনিবার দেশে ফিরছেন    

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

সাওঘাটে আবুল ও দেলোয়ারের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সিএনজি চালকরা

ডান্ডিবার্তা | ২৭ আগস্ট, ২০১৯ | ৯:২৯

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
রূপগঞ্জ উপজেলার সাওঘাট সিএনজি স্ট্যান্ডে আবুল ও দেলোয়ারের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সিএনজি চালকরা। সাওঘাট সিএনজি স্ট্যান্ডে চলছে জাতীয় শ্রমীক লীগের নামে নীরব চাঁদাবাজি। শ্রমিক লীগের নামে চাঁদার টাকা যায় প্রশাসন থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলের পকেটে। অথচ পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পরপরই নগরীর অবৈধ স্ট্যান্ডগুলো উচ্ছেদের ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছেন। তাতে সফল হওয়ায় নগরবাসীর প্রশংসাও পেয়েছেন তিনি। কিন্তু নগরের বাইরে রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের সাওঘাট এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর অবৈধ স্ট্যান্ড বসিয়ে চলছে চাঁদাবাজি। সিএনজি স্ট্যান্ডে শ্রমিক লীগের নামে কয়েকজন নেতা নিরীহ সিএনজি চালকদের কাছ থেকে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা উঠিয়ে নিজেরাই আত্মসাৎ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এই লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজির কারণে অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা যাচ্ছে না বলে মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকে। প্রকাশ্যে এসব চাঁদাবাজি চললেও এ ব্যাপারে প্রশাসন নির্বিকার। নেয়া হচ্ছে না কোনো পদক্ষেপ। সরোজমিনে ঘুরে জানা যায়, শ্রমীক লীগ নেতারা প্রতিটি সিএনজি থেকে দৈনিক হারে চাঁদাবাজি করে আসছে। এই সাওঘাট স্ট্যান্ডে প্রতিদিন দেড়‘শ সিএনজি চলে। জাতীয় শ্রমীকলীগের নামে চালকদের সিএনজি প্রতি ৫০ টাকা দৈনিক চাঁদা দিতে হয় আবুল ও দেলোয়ারকে। এছাড়াও মাসিক চাঁদা ৩০০টাকা করে দিতে হয়। আর এই চাঁদার টাকা নিয়ে প্রতিদিন আবুল ও দেলোয়ারের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। দেলোয়ার ও আবুলের দ্বন্দ্বে যাত্রী ও চালকরা রয়েছে আতঙ্কে। এতে সিএনজি চালকদের পড়তে হয় দুর্ভিপাকে। কে হবে সভাপতি কে হবে লাইনম্যান তা নিয়ে প্রতিদিনই স্ট্যান্ডে চলছে সমালোচনা। এছাড়াও কয়েকজন সিএনজি চালক জানান, জাতীয় পরিবহণ শ্রমিক লীগের নামে প্রতিদিনই টাকা আদায় করা হয়। এসব টাকা আদায় করার জন্য নির্ধারিক লোক রয়েছে। এছাড়া নতুন কোন গাড়ি স্ট্যান্ডে আসলেই শ্রমিক লীগের নেতা নামধারী কতিপয় লোককে ১ থেকে ২ হাজার টাকা দিতে হয়। কোন ড্রাইভার ইচ্ছা করলেই গাড়ি চালাতে পারে না। এছাড়া বিভিন্ন অজুহাতে চালকদেরকে দৈনিক থেকে মাসিক চাঁদা দিতে হয়। একাধিকবার সিএনজি স্ট্যান্ড দখল ও পাল্টা দখলের ঘটনা ঘটেছে। আর এসব দখল বেদখলের নেপথ্যে রয়েছে শ্রমীক লীগের নামে লাখ লাখ টাকার চাঁদার বাণিজ্য। সিএনজি স্ট্যান্ডের বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সিএনজি গাড়ি চালকদের দাবি-অবিলম্বে শ্রমিক লীগের নামে নেতাদের এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করে, গাড়ি চালানোর সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরে আনা হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *