আজ: মঙ্গলবার | ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলহজ, ১৪৪১ হিজরি | রাত ১২:১৪

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

সাহসী নেতৃত্ব চায় বিএনপির তৃণমূল

ডান্ডিবার্তা | ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ | ৮:০৪

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতারা আদালতপাড়ার রাজনীতি নিয়ে ম্যাকানিজমে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। ইতিমধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তবে বরাবরের মতই রাজপথে তাক্ লাগানোর পাশাপাশি আদালতপাড়ার রাজনীতিতেও আলোচনায় রয়েছেন জলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে ক্ষমতাসীন দলের নেতা থেকে শুরু করে প্রশাসনেরও টার্গেটে রয়েছেন সাখাওয়াত। এরই মধ্যে গত ১৬ ডিসেম্বর পুলিশের সাথে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের পর সাখাওয়াতকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে ঐ মামলায় উচ্চ আদালতের জামিন থাকায় ২০১৮ সালের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে। এরপর ১৪ দিন কারাভোগের পর জামিনে এসে ফের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা মাঠে নেমে পড়েন তিনি। পাশাপাশি আদালতপাড়ার রাজনীতিতেও সাহসী ভূমিকা রাখছেন তিনি। ক্ষমতাসীণ দল আওয়ামীলীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা বর্তমান জেলা বারের বার্ষিক সাধারণ সভায় তাই বিএনপির পক্ষে কথা বলার মতো সিনিয়র আইনজীবী নেতার খুব প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু সে গুরুত্বপূর্ণ দিনেও দেখা মিলেনি নারায়ণগঞ্জের দুই হাই প্রোফাইল আইনজীবী নেতার। বিএনপির আইনজীবীদের পক্ষে বরাবরের মতো সেদিনও রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। সভায় দাড়িয়ে বারবার তিনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সভা শেষে আদালতপাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিএনপির আইনজীবীদের পক্ষে এবারো প্রতিরোধের দেয়াল তুলে দেন সাখাওয়াত। সূত্র বলছে, সাহসী নেতার সংকটে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি ঝিমিয়ে পড়েছে। বিভিন্ন কর্মসূচীতে সাখাওয়াত সক্রিয় থাকলেও জেলা ও মহানগগর বিএনপির শীর্ষ নেতারাই থাকেন নিশ্চুপ। অথচ সাহসী নেতৃত্বই পারে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শক্ত অবস্থান গড়তে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা  বিভিন্ন অযুহাতে রাজপথে নামতে অনীহার কারণে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে ভাটা পড়েছে। দিন দিন গৃহবন্ধি হয়ে পড়ছে বিএনপির রাজনীতি। দীর্ঘ তের বছর ধরে ক্ষমতার বাহিরে থাকায় নারায়ণগঞ্জে বিএনপি দলীয় কর্মসূচী পালনে অনিহা প্রকাশ করছে। আবার যেসব সংগঠনের নেতাকর্মীরা কর্মসূচী পালনে গর্জন দিলেও পুলিশের অযুহাত দেখিয়ে রাজপথে নামছেন না। যার ফলে দলের নেতাকর্মী ও তৃণমূলকে সক্রিয় করতে পারছেনা। তবে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের রাজপথে চাঙ্গা রাখতে কাজ করে যাচ্ছে সাখাওয়াত হোসেন খান। গ্রেফতার হওয়ার ভয়কে তোয়াক্কা না করে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে অনেকটা সাহস দেখিয়ে বরাবরের মতই রাজপথে থাকছেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শক্ত অবস্থান গড়তে সাখাওয়াতের মত সাহসী নেতা প্রয়োজন বলে দাবী করেছেন মাঠ পর্যায়ের নেতারা। তারা বলছেন, ফটোসেশন ও প্রেস বিজ্ঞপ্তির রাজনীতি বাদ দিয়ে জেলা ও মহানগর বিএনপির পাশাপাশি সহযোগী সকল সংগঠনের নেতারা এক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামলে গত ১৬ ডিসেম্বরের মত নারায়ণগঞ্জের রাজপথ বিএনপির দখলে চলে আসবে। তাই নারায়ণগঞ্জ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ঐক্যের বিকল্প নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *