Home » প্রথম পাতা » ফতুল্লার কাশিপুরে মোস্তফার অত্যাচারে অতিষ্ট সাধারন মানুষ

সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলা কিসের আলামত: তৈমূর

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ | ৮:২১ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 157 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন কর্মকান্ডকে ‘হটকারী’ বলে মন্তব্য করে সেসব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহবান জানিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দার। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততা ও প্রশাসনের কারণে আমরা সুষ্ঠু ভোট গ্রহন নিয়ে শঙ্কিত। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টায় নিজ বাসভবনের মজলমু মিলনায়তনে ডাকা এক জরুরী সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তৈমূর। অ্যাড. তৈমূর এসময় প্রধানমন্ত্রীকে ধনবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ, তিনি প্রতিটি স্কুল ডিজিটালাইজ করছেন, সিসি টিভি লাগানো হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এসব স্কুলের ভোট কেন্দ্রে ভোট চলাকালে সিসি টিভি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। অনেক স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা আমাকে এটা জানিয়েছে। এটার কী মানে দাড়ায়। এটা আপনারা বিবেচনা করবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন। পুলিশি নির্যাতন চালানোর জন্য তারা এই সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার চেষ্টা করছেন। আপনারা যাচাই করে দেখবেন। সকলের কাছে আমার অনুরোধ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে আপনারা এই সিসি ক্যামেরাগুলো রাখার ব্যাবস্থা করবেন। একে একে আমার নেতাকর্মীদের বিনা কারণে বিনা মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে, প্রতিদিনই কর্মী সমর্থকদের বাড়ীতে পুলিশ যেয়ে তল্লাশীর নামে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তৈমূর বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ততায় আমি নিজেই লজ্জিত। আজকে শুক্রবার বন্দরে আমাদের গনসংযোগে হাজার হাজার লোক ছিল কিন্তু বহিরাগত ছিলনা কিন্তু সরকারদলীয় মেহমানরা সেখানে ছিলেন। রাস্তা বন্ধ করে ৪টা ট্রাকে মঞ্চ বানিয়ে সভা করা হয়েছে। কিন্তু নিবাচন কমিশন নিশ্চুপ। ”আপনাদের মাধ্যমেই আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি আরো বলেন, অপারেটররা যেন আমাদের এজেন্টদের ছাড়া মেশিন মেরামত না করতে পারে। এটা যেন এজেন্টদের সাৃনে করা হয়। এটা আমার অনুরোধ থাকবে। এজেন্টদের যেন বের করো দেয়া না হয়। ”বিভিন্ন এলাকা বিভিন্ন এমপিদের ভাগ করে দেয়া হয়েছে। ৩নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে রুপগঞ্জের মন্ত্রীকে। তারা সেখানে প্রভাব বিস্তার করবেন। এভাবে শহরে বহিরাগত দিয়ে ভরে গেছে। ভোটের দিন তাদের কোন কাজ নেই। তারা যেন ভোটের দিন চলাফেরা করতে না পারে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” তিনি বলেন, আমাদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য এসব করা হচ্ছে। বিগত পনেরো বছর যাবৎ মামলা জর্জরিত হয়ে আমরা অভ্যন্ত হয়ে গেছি। এ অবস্থায় আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনি একটি মেয়র পদের জন্য আপনার পদ আসবেও না যাবেও না। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন নারায়ণগঞ্জে হলে এর সুনাম আপনি বহন করবেন। তা না হলে এর দায় দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে এবং আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *