Home » প্রথম পাতা » পদ্মা সেতু জাতির আরেক বিজয়

সুফিয়ানের বদৌলতে এম এ রশিদ উপজেলা চেয়ারম্যান!

১৬ নভেম্বর, ২০২১ | ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 117 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ানের কারনেই বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলে সর্বত্র আলোচনা মূখর। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ১ম ও দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বন্দরে বিএনপির আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দুইবারই বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ ধরাশায়ী হয়। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বন্দরের বাগবাড়ি এলাকার সন্তান আবু সুফিয়ান চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার জন্য কেন্দ্রে প্রস্তাব যায়। এতেই বাধ সাধে ঐতিহ্যবাহী প্রভাবশালী পরিবার। কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ বিগত ২ বার এম এ রশিদকে মনোনয়ন দিলেও কাজের কাজ হয়নি। অথচ আবু সুফিয়ানের নাম প্রস্তাবে গেলে ঐক্য হয় প্রভাবশালী পরিবারসহ বিএনপি। কেন্দ্রীয় ভাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদকে মনোনয়ন দিলে তিনি বিনাপ্রতিদদ্ধীতায় বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আবু সুফিয়ান নমিনেশন চাওয়ার মূল্যেই এম এ রশিদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান নাসিক মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভী বলয়ে রাজনীতি করে। নারায়নগঞ্জের প্রভাবশালী রাজনৈতিক ওসমান পরিবারের বিপক্ষের বলয়ে একেএম আবু সুফিয়ান। উপজেলা নির্বাচনের পূর্বে বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গাজী এম এ সালামসহ ৪ জনের প্রস্তাবিত নাম যায় কেন্দ্রে। যে এম এ রশিদ দল ক্ষমতায় থাকাকালেও দুইবার চেয়ারম্যান হতে পারেনি। সেই এম এ রশিদকে বিনাপ্রতিদদ্ধীতায় বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে জোড়ালোভাবে মাঠে নামে ওসমান পরিবারসহ তার বলয়ের সকল শীর্ষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীরা। এমনকি বিএনপির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুলের সাথে কন্ডিশন হয়। এম এ রশিদকে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ভোট সমর্থন দিলে মুকুল নির্বাচন করবে না। আর আবু সুফিয়ানকে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ মনোনয়ন বোর্ড সমর্থন করলে মুকুল নির্বাচন করবে। ক্ষমতাসীন দল যাকে নৌকা প্রতীক দিবে সেখানে চেয়ারম্যান হওয়ার ৯৫ শতাংশ নিশ্চিত হওয়া যায়। যার ফলশ্রুতিতে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবার কেন্দ্রে জোড়ালো লবিং করে এম এ রশিদকে সমর্থন আনে। কেন্দ্র হতে এম এ রশিদকে মনোনয়ন দিলে আবু সুফিয়ান আগেই বলেছিলেন কেন্দ্র যাকে দিবে সেই নির্বাচন করবে। যেমন কথা তেমন কাজ এম এ রশিদকে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ মনোনয়ন দিলে বিএনপির মুকুলসহ দলের প্রস্তাবিতরা সরে দাঁড়ান। বিনাপ্রতিদদ্ধীতায় এম এ রশিদ বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এম এ রশিদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে বন্দর উপজেলা পরিষদে আসেন প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমান, আবু হাসনাত শহিদ বাদল, আবুল জাহেরসহ জেলা আওয়ামীলীগের ও জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারা। বিনাপ্রতিদদ্ধীতায় চেয়ারম্যান হন এম এ রশিদ। আবু সুফিয়ানের কারনেই বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ রশিদ বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতাকর্মী

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *