Home » শেষের পাতা » মেয়াদি সুদের ফাঁদে জিম্মি হত-দরিদ্র জনগোষ্ঠী

সোনারগাঁয়ে আ’লীগের প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি

১৪ মে, ২০২২ | ৬:০৯ অপরাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 23 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডে পাঠানো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে একটি তালিকা কেন্দ্রে পাঠায় উপজেলা আওয়ামী লীগ। গত ৯ মে পাঠানো এই তালিকায় আহ্বায়কসহ দুজন যুগ্ম আহ্বায়কের স্বাক্ষর রয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়কের একক স্বাক্ষরে ১০ মে আরো একটি তালিকা পাঠানো হয়। এই তালিকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দুজনের নাম। তবে, আহ্বায়কের স্বাক্ষর দুই তালিকাতেই দুই রকম। অভিযোগ উঠেছে, আহ্বায়কের স্বাক্ষর নকল করে এই তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে, স্বাক্ষর নকল নাকি খোদ আহ্বায়ক নিজেই এমন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন, এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের ৮ম ধাপের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ জুন মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৮ মে দলীয় প্রার্থী নির্ধারণ করতে উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভা করে। সভায় দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আরিফ মাসুদ বাবুর নাম চূড়ান্ত হয়। পরদিন দলীয় প্যাডে আওয়ামী লীগের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডে এই তালিকা পাঠানো হয়। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত এবং দ্বিতীয় যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম স্বাক্ষর করেন। ওই তালিকা পাঠানোর পরদিন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়ার একক সিল ও স্বাক্ষরে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সোহাগ রনির নামযুক্ত করে দলীয় প্যাডে আরো একটি তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে, আগের স্বাক্ষরের সঙ্গে শামসুল ইসলাম ভূঁইয়ার এই স্বাক্ষরের কোনো মিল নেই। এ ছাড়া দলীয় প্যাড দুরকম দেখা গেছে। এদিকে দুই জায়গা আহ্বায়কের দুই রকম স্বাক্ষর যার একটি নকল বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে ঠিক কোনটি আসল আর কোনটি নকল এ নিয়ে ধন্দে পড়েছে তৃণমূলসহ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা। তারা বলছেন, দুটি স্বাক্ষর একজনের হতে পারে না। এর একটি নিশ্চিয় নকল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই জালিয়াতির আশ্রয় কে নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত বলেন, ‘বর্ধিত সভায় একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করে আহ্বায়কসহ আমরা তিনজন স্বাক্ষর করেছি। এটাই বৈধ। পরের তালিকাতে আহ্বায়কের একক স্বাক্ষর। আদতে এই স্বাক্ষর তার কিনা, সে বিষয়ে তার সাথে কোনো কথা হয়নি। তাছাড়া তার কোন স্বাক্ষর আসল সেটি তিনি নিজেই বলতে পারবেন।’ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘এ নিয়ে আমি এখনই কোনো মন্তব্য দিতে রাজি না।’ এরপর তিনি ‘নির্বাচন নিয়ে যা শুরু হয়েছে…’ বলেই সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *