Home » প্রথম পাতা » ফারদিন হত্যা মামলায় তথ্যগত ভুল: ডিবি

সোনারগাঁয়ে জলবদ্ধতায় ঘরবন্দি মানুষ

৩১ জুলাই, ২০২১ | ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 57 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

টানা বৃষ্টিতে সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জলবদ্ধতার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে গ্রামের ভেতরের চলাচলের রাস্তা। ফলে ঘর বন্দি হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। জলাবদ্ধতার কারণে আশপাশের ময়লা পানিতে ভেসে পানিবাহিত রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া পানিতে সবচেয়ে বেশী সমস্যায় পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশুরা। অপরদিকে বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ের পানি বেড়ে যাওয়ায় মাছ চাষীরা পড়েছেন বিপাকে। তারা জানান, হঠাৎ করে অতি বৃষ্টির কারনে তাদের পুকুরের চাষ করা মাছ পানির সাথে ভেসে চলে যাচ্ছে এক পুকুর ও জলাশয় থেকে অন্য পুকুর জলাশয়ে। এতে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হবে ধারনা করছেন মাছ চাষিরা। পানিবন্দি বাড়ি মজলিশ গ্রামের রতন মিয়া জানান, অপরিকল্পত ভাবে গ্রামের আশপাশের পুকুর ও জলাশয়গুলো ভরাট করার কারণে বৃষ্টির পানি নামতে না পেরে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে গ্রামের প্রতিটি রাস্তা ও বাড়িঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অপরদিকে পানির সাথে ড্রেনের ময়লা আর্বজনা ভেসে এসে অস্তিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মাছ চাষী জমিরউদ্দিন জানান, টানা বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করে পুকুরের পানি বেড়ে গিয়ে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। পানির কারণে পুকুরগুলো ডুবে তার চাষের মাছ অন্য পুকুরে চলে যাচ্ছে। হঠাৎ করে কাল রাতের বৃষ্টির কারণে তার বেশী ক্ষতি হয়েছে। রাতের বেলা মাছ আকটানোর মতো কোন ব্যবস্থা করতে না পারায় সবচেয়ে  লোকসানের মুখে পড়েছেন তিনি। কবি ও সাহিত্যিক সেলিম রেজা জানান, সোনারগাঁ শিল্পান্নয়নের ফলে জায়গা জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষ পুকুর খাল বিল, জলাশয় ও ফসলি জমি ভরাট করে অপরিকল্পিত ভাবে বাড়িঘর ও নগরায়ন করার ফলে বৃষ্টির পানি কোথাও নামতে না পেরে প্রতি বছরই উপজেলার জনঘনবসতিপুর্ণ এলাকাগুলো পানিতে ডুবে কৃত্রিম বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় পানি নামার জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। আবার অনেক যায়গায় ড্রেন থাকার পরও ড্রেনগুলো পরিস্কার ও রক্ষানাবেক্ষন না কারার কারনে ও সাধারণ মানুষ না বুঝে শুনে ড্রেনগুলোতে ময়লা আর্বজনা ফেলে ভরে ফেলার কারণে পানি নামতে না পেরে রাস্তাঘাটে পানি জমে বাসা বাড়িতে গিয়ে জলাবদ্ধতা তৈরী করছে। সেজন্য সরকারের জলাশয়, পুকুর ও ফসলি জমি ভরাটের ক্ষেত্রে সরকারী নজরদারীর প্রয়োজন। এছাড়া ঘনবসতিপুর্ণ এলাকাগুলোতে পানি নামানোর জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং যেখানে ড্রেন আছে সেগুলো রক্ষনাবেক্ষন ও বর্ষাকালের আগে সেগুলোকে পরিস্কার রাখতে হবে।

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *