আজ: বৃহস্পতিবার | ১লা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ১৪ই সফর, ১৪৪২ হিজরি | দুপুর ১:৪৫

সংবাদের পাতায় স্বাগতম

সোনারগাঁয়ে সিএনজি-অটো রিক্সায় চাঁদাবাজি প্রতিদিনের যানজটে অতীষ্ট এলাকাবাসী

ডান্ডিবার্তা | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৯:৩১

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সিএনজি-অটোরিক্সায় একের পর এক চাঁদাবাজির কারণে সড়কে যানজট লেগেই থাকে। সড়কে যানজট কমাতে চাঁদাবাজরা গাড়ি লাইনে আনার কথা বলে প্রতিদিন সিএনজি-অটোরিক্সা থেকে মোটা অংকের টাকা চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিএনজি-অটোরিক্সায় চাঁদাবাজির সময় যানজট লেগে থাকায় অতীষ্ট হয়ে পরেছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। কোন ক্রমেই থামানো যাচ্ছে না চাঁদাবাজদের, দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পরিবহন চাঁদাবাজরা সম্প্রতি র‌্যার-১১ বেশ কিছু চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করলেও আবারও শুরু হয়েছে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঐতিহাসিক গ্র্যানট্রাঙ্ক রোডের সোনারগাঁ থানা রোড এবং সোনারগাঁ সরকারি কলেজ রোডে প্রতিদিন সহস্রাধিক সিএনজি-অটোরিক্সা চলাচল করে। এসকল সিএনজি-অটোরিক্সা থেকে ১০-১০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা উত্তোলন করা হয়। নির্দিষ্ট কোন লাইন ম্যান না থাকায় চাঁদাবাজরা তাদের ইচ্ছেমত যেকোন স্থানে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা উঠায়। যার কারণে সিএনজি-অটোরিক্সা চালকরা যেখানে সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করে। সড়কে চাঁদাবাজি করার কারণে যাত্রীদের কাছ থেকে জোড়পূর্বক বেশি ভাড়া আদায় করে সিএনজি-অটো চালকরা। ভাড়া নিয়ে প্রায়ই যাত্রী ও চালকদের ঝগড়া করতে দেখা যায়। থানা রোড ও কলেজ রোডের প্রবেশ মুখে অবৈধ স্থাপনাও যাজটের একমাত্র কারণ। সরকারদলীয় প্রভাবশালী নেতারা অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। আর এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে এবং মার্কেটগুলোতে পর্যাপ্ত গাড়ি রাখার কোন গ্যারেজ না থাকায় বাধ্য হয়েই সড়কে গাড়ি থামিয়ে রাখে চালকরা। রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করায় যানজট লেগে থাকে। এতে করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সময়মত তাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে পারছে না। এলাকাবাসী আরও জানান, যানজট কমাতে পুলিশ প্রসাশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু লাইনম্যান নিয়োগ করা প্রয়োজন। যারা চাঁদাবাজি না করে সঠিভাবে সিএনজি-অটোরিক্সা প্রবেশ ও বাহির করতে সহায়তা করবে। সেক্ষেত্রে তাদের নির্ধারিত আইডি কার্ড এবং পুলিশ লেখা পরিহিত ইউনিফরম ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা দরকার। চাঁদাবাজি বন্ধে সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি। এব্যপারে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি কাইয়ুম বলেন, চাঁদাবাজির কোন ঘটনা আমার জানা নেই। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ সবসময়ই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *