Home » শেষের পাতা » অধিগ্রহণ হচ্ছে নদীর জমি

হিন্দু মুসলমান মধ্যে দ্বন্ধ লাগাতে চায় একটি চক্র – আইভী

২২ জানুয়ারি, ২০২৩ | ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ | ডান্ডিবার্তা | 32 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, মানবধর্মের ওপর কোন ধর্ম নেই। সকলের প্রতি সম্মান রেখে আমি একটা কথাই বলব আমি মানব ধর্মে বিশ্বাসী। আমার বাবা আমাকে তাই শিক্ষা দিয়েছেন। কোন ধর্মে ভেদাভেদ নেই। একজন সৃষ্টিকর্তা তিনি সব জায়গায় বিরাজমান। মানুষেই ঈশ্বর মানুষেই ভগবান। মানুষেই তার বিচরণ। যে মানুষকে ভালবেসেছে সেই ঈশ্বরকে পেয়েছে। সেটা পেতে হলে আপনাকে একজনের কাছে আত্মসমর্পন করতেই হবে। তিনিই আপনার গুরু। আমি মারফতিকে বিশ্বাস করি। আমার বাবা যে গুরুকে ধরেছিলেন তিনি তাতেই বিশ্বাস করতেন। যারা পীর ভক্ত মানুষ তাদের মাঝে সংকীর্ণতা নেই। যারা আদ্ধাত্মিক পর্যায়ে যায় তাদের কোন কিছুই ছুতে পারে না। তার কাছে সব সমান। আমি সেভাবেই নারায়ণগঞ্জবাসী সেবা করি। আমি কাউকে আলাদা করে দেখিনি। আপনারা দেখেছে আমাদের এখানে কীভাবে চার ধর্মের মানুষ একসাথে শায়িত হয়। সবগুলোর কাজ করে দিয়েছি। আমাদের আরও কাজ চলমান আছে। বৌদ্ধদের জন্যেও আমরা জায়গা করে দিচ্ছি। আমাদের বন্দরে ঢাকেশ্বরী মন্দিরেও কাজ করেছি। লক্ষ্মণখোলা শ্মশান ঘাটেরও অনেক কাজ করেছি। মসজিদ মন্দিরের অনেক কাজ করেছি। আমি মুসলিম বিধায় শুধু মুসলমানের জন্য কাজ করিনি। আমি মানুষের কাছে আত্মসমর্পণ করে বসে আছি। আমি মানুষের মাঝে বিরাজমান থাকতে চাই। আমি আমার অফিসে কেউ গেলে সে কোন ধর্মের তা জানতে চাই না তার কাজ কী দরকার তা শুনি।বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে সব ধর্মকে নিয়ে সাজাতে চেয়েছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান এ দেশ যেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ থাকে। আমাদের মানুষের জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে হবে। আমরা নারায়ণগঞ্জে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় শহরকে গড়তে চাই। আমাদের পাশাপাশি সব চলতে থাকে। কিন্তু কতিপয় দুষ্ট লোক দেশকে নৈরাজ্যে ঠেলে দিতে আমাদের উন্নয়ন থামিয়ে দিতে হিন্দু মুসলিম করার চেষ্টা করে। ভারতে কী হল সেটা নিয়ে এখানে রাজনীতি করার চেষ্টা করে। আমরা কোন রাজনীতির মধ্যে যেন না থাকি। আমরা সবসময় নিজের মাটি ও মানুষকে ভালবাসবো। মানবধর্ম উধ্বে কোন ধর্ম নেই। মানুষকে যে ভালো বাসতে পারবে সেই ঈশ্বরকে পাবে। যারা আমার আধাত্মিক পীরের হাত ধরি তারা কিন্তু কে হিন্দু কে মুসলমান কে খিস্ট্রান বা বৌদ্ধ, তা জিজ্ঞাসা করে না। তাদের কাছে সব ধর্ম নিয়ে তারা চলেন। এখানে আসার আগে শশ্মানে গিয়ে ছিলাম, আপনার জানেন আমাদের মসজিদ কবরস্থান শশ্মান খিস্ট্রানদের কবর পাশাপাশি রয়েছে। শুধু বৌদ্ধদের বাকি রয়েছে, তারা জায়গা চেয়েছে আমরা প্রস্তুত করছি। শশ্মান মন্দির অনেকগুলো কাজ চলমান রয়েছে, যদি করোনা না হত অনেক কাজ সমাপ্ত করা যেত। আমি মানুষষে মাঝে বিরজমান হয়ে থাকতে চায়, কোথায় ঠাঁই হবে আমি জানি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই দেশ হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনারর, মুক্তিযোদ্ধা চেতনায়। রোজার মধ্যে আমাদের পূজা কাজ হয়, কিন্তু একটি দুষ্ট চক্র ছদ্রবেশে দেশকে অশশান্ত করার পায়তারা করে যাচ্ছে। অনেক ব্যক্তি আছে তাদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য আপনাদের ব্যবহার করে, সে ফাঁদে পড়বেন না। তারা দেশের উন্নয়নকে থামানো জন্য হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগানো চেস্টা করে। শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সৎসঙ্গ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে নতুন পালপাড়ায় শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৫ তম শুভ আবির্ভাব বর্ষ স্মরণ মহোৎসবের তৃতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ৪দিন ব্যাপী মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের ধর্মসভার  শ্রীঅবিনাস চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারন সম্পাদক ড.চন্দ্রনাথ পোদ্দার কেন্দ্রীয় সৎসঙ্গের  সভাপতি ড.রবীন্দ্রনাথ সরকার ভারত থেকে বিশিষ্ট ধর্মযাজক শ্রীসম্পদ নারায়ন বন্ধোপাধ্যায়, শ্রীতাপস মাইতি, পিযুষ কান্তি ঘোষ, অধ্যাপক ড.শ্রীগৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস, উৎসব কমিটির আহবায়ক শ্রীদিলীপ দাস   সাধারন সম্পাদক  শ্রী বিশ্বজিৎ সাহা , সাংগঠনিক  সম্পাদক বিপ্লব ঘোষ সদস্য সচিব শ্রীহরিপদ পাল, উপদেষ্টা বাদল সাহা

Comment Heare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *