Home » শেষের পাতা » সোনারগাঁয়ে এক হাজার পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করলেন এমপি খোকা

হুমায়ূনের বিচার চাইলেন জুয়েল

১৯ জানুয়ারী, ২০২১ | ৭:৪১ পূর্বাহ্ন | ডান্ডিবার্তা | 383 Views

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

একজন মানুষের জীবনে তার চলাফেরা আচার আচরণই বলে দেয় তিনি কেমন ধরণের মানুষ। মানুষের প্রতি তার কতটুকু সম্মান আছে। তিনি মানুষকে কতটুকু মূল্যায়ণ করেন। ঠিক তেমন একটি পরিচয় দিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের প্যানেলে সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির। বিপরীতে তার বিপক্ষ প্রার্থী বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মোহসীন মিয়াও তার ব্যবহারের পরিচয় দিয়েছেন। আদালতপাড়া সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগপন্থী বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা প্রচার প্রচারণা চালান। আর এই প্রচারণার এক পর্যায়ের বিএনপিন্থী আইনজীবীরা নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির বারভবনের ভিতরে নির্বাচনী সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার সময় সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির পায়ের জুতা না খুলেই আইনজীবীদের বসার চেয়ারে উঠে পড়েন। যে চেয়ারে সচরাচর কেউ বসতে সাহস করেন না। সেই সাথে আইনজীবীরা অনেক সমীহ করেন ওই চেয়ারের প্রতি। কিন্তু অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির এর কোনো তোয়াক্কাই করলেন না। তিনি জুতা পা দিয়েই চেয়ারের উপর দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিলেন। আর এই ঘটনার পরপরই আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য বারভবনের ভিতরে প্রবেশ করেন। আর ভিতরে প্রবেশ করেই সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মোহসীন মিয়া নিজের হাত দিয়ে মুছে চেয়ার পরিস্কার করলেন। যা সাধারণ আইনজীবীদের নজরে আসে। এসময় বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল বলেন, গুণী লোকের গুণী কাজ। একজন সভাপতি প্রার্থী আইনজীবীদের চেয়ার জুতা দিয়ে পারিয়ে গেলেন আর আরেকজন সভাপতি প্রার্থী নিজে মুছে দিয়ে গেলেন। এই চেয়ারটি সম্মানিত আইনজীবীদের বসার স্থান, আইনজীবী পেশা একটি পবিত্র পেশা আর এই পবিত্র স্থানে জুতা দিয়ে পারানো মানি গোটা আইনজীবী জাতিকে অসম্মান করা। একই সাথে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ূন কবিরের প্রতি সাধারণ আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আর তিনি যদি সভাপতি নির্বাচিত হন আর এই যদি হয় তার ব্যবহার তাহলে ভবিষ্যতে আমাদের অবস্থা কি হবে।

Comment Heare

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।