প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে-সেলিম ওসমান

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট মর্গ্যান গালর্স স্কুলের নব নির্মিত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কালে সাংসদ সেলিম ওসমান আগামী প্রজন্মের…

Read More

শুরুতেই বিতর্কে জেলা বিএনপি

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ২০৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হলো। তবে…

Read More

না’গঞ্জে সাড়ে তিনমাসে শতাধিক লাশ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে ৩৫টি

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে জেলায় ১১৫টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে আরো ১৭টি…

Read More

নাজিম উদ্দিনের যত অপকর্ম

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের সভাপতিও। নানা সময়েই নানা বিতর্কীত কর্মকা-ের…

Read More

এবার মাদকসহ ডিস বাবুর চার সহযোগি আটক

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট মাদক নির্মূলে শহর জুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। ওসি কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭ টি টীম শহরের নলুয়াপাড়া, দুই নংবাবুরাইল, পাইকপাড়া জল্লারপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালায়। গতকাল শনিবার বিকেল থেকে মাদক বিরোধী এই অভিযানে সদ্যগ্রেফতারকৃত কাউন্সিলর ডিস বাবুর অন্যতম সহযোগি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী জামাই মাসুদসহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ইয়াবা ওহেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। জামাই মাসুদ শহরের নলুয়া পাড়া এলাকার মৃত সুলতানের ছেলে ও একই এলাকার রানা মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া। অন্যরাহলেন পাইকপাড়া জল্লারপাড়া এলাকার নিজামউদ্দিনের ছেলে ও ডিস বাবুর অন্যতম সহযোগি মাদক ব্যবসায়ী মো. সজিব এবং দুই নং বাবুরাইল এলকারআলমাছের দুই ছেলে মো. আল রাজু (৪৯) ও আল রাহাত (৪৭)। অভিযান ও আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) মো. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের অভিযান এখনও শেষ হয়নি। শহরের কোনো মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের পুলিশসুপার সাহেবের নির্র্দেশ। যে যত বড় প্রভাবশালী হোক কোনো অপরাধীই পাড় পাবে না। আমাদের অভিযান শেষ হলে আমরা বিস্তারিত জানাবো। অভিযানচলছে। তিনি আরও জানান, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সালউদ্দিন বিটুর নলুয়া বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও বেশকয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান চলমান আছে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ও এত খারাপ ওরে খাইয়া ফালামু: শামীম ওসমান

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট সাংসদ শামীম ওসমান বলেছেন, “আমার মেয়েরা এখানে হাঁটবে থাকবে, এখানে মুরুব্বিরা থাকবে, কোনো বেয়াদব থাকবে না। যদি এই বাসিন্দাদের মধ্যেখারাপ কেউ থাকে, তার নাম শেষ কইরা দিমু, তারে শুদ্ধা নাই করা দিমু আমি যদি আপনারা চান। আপনারা না চাইলে আমার কিছু করার নাই।” গতকালশনিবার দুপুরের দিকে ভূঁইগড় রূপায়ন টাউনে বিক্ষুব্ধ ফ্ল্যাট মালিকদের সাথে মতবিনিময়কালে ওই কথা বলেন তিনি। সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, “আমিআমার কাজ করতেছি, এটা আমার ডিউটি। আপনারদের কাছে আমার অভিযোগ, আপনারা আপনাদের ডিউটি পালন করেন নাই। আপনারা কিন্তু বস্তিতেথাকেন না। সবাই মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের বাসিন্দা এখানে। এবং ম্যাক্সিমাম লোক শিক্ষিত। একটা লোকের দায়িত্ব হলো না যে, ‘আচ্ছা শামীম ওসমানরেবইলা দেখিতো, আমাদের এলাকায় এই সমস্যাগুলো হচ্ছে, একবার জানাই দেখি তো, লোকটারে টেস্ট করি।’ টেস্ট করতেন, টেস্টও করবেন না? না কাঁনলেমাও দুধ দেয় না মনে রাখবেন।” রূপায়ন টাউনের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আশে পাশের এলাকার ঝামেলাও চুপ করে আমাকে জানাবেন। টেস্টকইরা দেখেন না। যদি না হয় তখন বলবেন। এর বিনিময়ে কিছু চাই না। আমি এটুকু চাই আমার মৃত্যুর পরে যেন আপনার চোখে আমার জন্য পানি আসে।এটাই আমার চাহিদা। আমি আল্লাহ ছাড়া আমি কাউরে ভয় পাই না।” নারায়ণগঞ্জে অনেক খেলা হচ্ছে মন্তব্য করে সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, “প্রত্যেকটাখেলার জবাব আমার কাছে আছে। হাতের মুঠে ডকুমেন্ট আছে। আমি ছাড়ি না। কারণ আমি সম্মানিত লোকের সম্মান নষ্ট করি না। চেষ্টা করি ধৈর্য ধারণকরার।”  স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “আমি পরিষ্কার ভাষায় বলে দিতে চাই যারান এইখানে বাইরের দু চারজন লোক আছেন, আল্লাহর নামে কসমখইয়া বলতাছি, খোদার নামে কসম খাইয়া বলতাছি আমি শামীম ওসমান, এই তল্লাতে আইসা যদি কেউ এমন কোনো কর্মকান্ড করে যার কারণে আমারমেয়েরা ভয় পায়- আমি রাস্তায় নামবো কিনা, কোনো মুরুব্বী ভয় পায়- আমি অসম্মানিত হবো কিনা কিংবা কেউ যদি ভয় পায় যে, আমি এই এলাকায়সুন্দরভাবে থাকতে পারবো কিনা- আমি তার বুকের মধ্যে হাত দিয়া বুকের পাটা ছিড়া ফালামু, তাকে ছাড়বো না। এটা আমার ওয়াদা যদি আমি বাঁইচাথাকি।” তিনি বলেন, “পরিবেশ সুন্দর করতে হলে আমরা এটকা সার্পোট দরকার। কার সাপোর্ট? আপনাদের সাপোর্ট। একটা কমিটি দাঁড় করান আমিআপনাদের চ্যালেঞ্জ কইরা দিতাছি, এই কমিটির কথার বাইরে কোনো বাপের ব্যাটার সাহস হবে না কথা বলার।” নাজিম উদ্দিনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে সাঁটানোফেস্টুন ব্যানার দেখিয় শামীম ওসমান বলেন, “এই পোষ্টার ফোষ্টার সব নামায় ফালান, এই গুলাস দরকার নাই, এই গুলা আমাদের কোনো কাজে লাগবে না।অনেকেই আছে আমাদের নাম ভাঙ্গাইয়া অনেক কিছু কইরা ফালায়, আমরা জানিও না। তিন পুরুষ ধরে আমরা নারায়ণগঞ্জে কাজ করতাছি। কোনোঅন্যায়ের কাছে মাথা নত করবো না, সে সরকার হউক, প্রশাসন হউক, পুলিশ হউক, আমি ন্যায্য কথা বলতে আসছি। বলবো।” এর আগে বৃহস্পতিবার সদরউপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ও তার বাহিনী কয়েকটি ফ্ল্যাটে হামলা চালিয়ে মারধর করে। এতে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ক্যাডার আব্দুস সালামসহ ৫ জন আহত হন। এ ঘটনায় শুক্রবার প্রায় কয়েকশত ফ্ল্যাট মালিক নাজিম উদ্দিনকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তারবাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন করে। এছাড়াও এ ঘটনায় ভুক্তভোগি আবু সাঈদ পাটোয়ারী ও আশরাফ সিদ্দিকীবাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন ফতুল্লা মডেল থানায়। মামলায় ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন ও তার বাহিনী ৭০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এসবঘটনায় রূপায়ন টাউনের প্রায় ৮৭৪ জন ফ্ল্যাট মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছিলো। এমন অবস্থার মধ্য দিয়ে এদিন সাংসদ শামীম ওসমান রূপায়নটাউনে বিক্ষুব্ধ ফ্ল্যাট মালিকদের সাথে কথা বলতে স্ব শরীরে উপস্থিত হন।

সিদ্ধিরগঞ্জে আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের অফিসে জমজমাট জুয়ার আসর

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১নং ওয়ার্ড মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকায় আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের ওয়ার্ড সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম ওরফে বরিশাইল্লানজরুলের কার্যালয়ে প্রকাশ্যে চলছে জুয়ার আসর। সন্ধা থেকে শুরু করে নিন্ম শ্রেনীর কিছু সদস্য ও বাহিরের লোকনিয়ে রাতভর চলে এ জুয়ার আসর।তাদের সিসি ক্যামেরা না থাকলেও সিড়িতে রয়েছে পাহারাদার। এবিষয়ে নাসিক ১নং ওয়ার্ড আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলামেরকাছে জানতে চাইলে, উপরে পরে সিদ্ধিরগঞ্জ আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন এখানে শুধু জুয়া না, মেয়ে নিয়ে ও মদ খেয়েফুর্তি করা হয়। এলাকাবাসী জানায়, এখানে আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের কার্যালয়ের নামে জুয়া খেলা হার-হামেসেই চলছে হাজার হাজার টাকার লিলা-খেলা অনেকসময় জুয়ারিরা হেরে গিয়ে এখানে মারা-মারি হয়। মদ্য পান করে অনেক ধরনের গালা গালি হই চই করে এতে দেখা যায় আশেপাশে অনেক বাড়ি ঘর রয়েছে।সেখানে স্কুল পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের পড়া শুনার অনেক সমস্যা হয়। এখানে বেশির ভাগ সময় জুয়ার আসর রাতে সময়টা বেসি জুয়া খেলা হয়। খেলায় হেরেগিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে এলাকায়। জুয়া খেলার বিরুদ্ধে কোন আইনি ব্যবস্থা গ্রহন না করায় অসহায় হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। সন্ধা থেকে শুরু করেগভীর রাত পর্যন্ত চলে এই জুয়া। তাদের সাথে অনেক যুবক এই জুয়ায় ইতিপৃর্বে আসক্ত হয়ে পড়েছে। যদি জুয়ার খেলা বন্ধ না করা যায় তাহলে যুবসমাজেরজন্য ভয়াবহ হয়ে দাঁড়াবে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মীর শাহীন শাহ পারভেজ বলেন, কেউ যদি আইন বিরোধী কোন কাজ করে তাহলে তাদেরবিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে এবং জুয়া খেলার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদক বিক্রেতাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ফতুল্লার কয়েকটি এলাকার মানুষ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট মাদকে ভাসছে গোটা ফতুল্লা রেলষ্টেশন, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনী, ও জোড়পুল  এলাকা। হাত বাড়ালেই প্রকাশ্যে মিলছে ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হোর্ইোন,গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। এলাকার লোকজন মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর করে মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দাতারা। গত ১৫এপ্রিল বাড়ির সামনে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায়  সোহাগ ও উজ্জল  নামে  দুই যুবককে মারধর করে তাদের শেল্টার দাতারা । মার খেয়ে থানায় অভিযোগকরলেও পুলিশ থেকে কোন সহযোগীতা পাইনি বলে জানা যায়। এমকি অভিযোগের পরে ও পুলিশ কোন তদন্তেও আসেনি  যার কারনে এলাকাবাসী মাদকব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। যে কোন উপায়ে মাদক নির্মুল করতে হবে ও জেলা পুলিশ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বার বার মাদকের ব্যাপারে কঠোরহুকার দিলেও কিছুতেই কর্নপাত করছে না মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে ফতুল্লা থানা পুলিশ থানার অন্যান্য এলাকা মাদকের ব্যপারে কঠোর ভুমিকা নিলেও ফতুল্লারেলষ্টেশন, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনী, ও জোড়পুল  এলাকায় পুলিশের তৎপর না থাকায় আর এ সুযোগে এই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা আরোবেপোয়ারা হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।  ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ আসলাম হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করাহলে তিনি অপারেশনে আছে বলে সংযোগটি কেটে দেন। অভিযোগের তদন্তকারী উপ-পরিদর্শক মাজেদ মিয়া’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তারিসিভ করেনি। তবে সচেতন মহল মনে করেন, শুধু ছিচঁকে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে মাদক নির্মূল কিছুতেই সম্ভব নয়। এছাড়া থানা পুলিশের দূর্বলর্চাজশীটে, মামলার দীর্ঘ সূত্রতা সাক্ষীর অভাব এর কারনে আইনের ফাঁক ফোঁকড় দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আদালত থেকে জামিনে বেরহয়ে আবারও মাদকব্যবসায় জড়িয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সাজা দেওয়া হচ্ছে। এই সাজা আপিল যোগ্য বিধানথাকায় এক বা দুই মাস পর এরা জামিনে বের হয়ে আসছে। সচেতন মহলের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যে সব মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তার হয়তার বেশীর ভাগই সেলসম্যান অথচ মাদকের মুল গড ফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে থাকছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে। তাদের সেলসম্যানরা গ্রেপ্তারহলে মুল ব্যবসায়ীরা তাদের আদালত থেকে জামিনে মুক্ত করে আবার একই ব্যবসায় নিয়েজিত করান। এছাড়া মাদক স¤্রাটরা কখনো কখনো কোন নাকোন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে । আবার কেউ ক্উে নিজেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে জমজমাট পরিসরে মাদক ব্যবসা করছে। এ মাদকের বিষয়ে এলাকার সচেতন মানুষ যদি কোন প্রতিবাদ করে তবে গড ফাদাররা সে সব লোকজনকে কোন  না কোন ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়ে উল্টো তাদেরকে মারধর ও হয়রানি করতে থাকেন বলে অভিযোগ  উঠেছে। ফতুল্লা রেলষ্টেশন, ব্যাংক কলোনী, জোড়পুল এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, একাধিকমামলার আসামী সামসুল হকের ছেলে ডাকাত লিপুর নেতৃত্বে আঃ গফুর ছেলে আলোমগীর, করিম ড্রাইভারের ছেলে রনি, এরশাদের ছেলে তুফান তার ভাইহালিম  হাসেমের ছেলে সোহেল, বড় সাবের ছেলে বিল্লাল, কাদিরের ছেলে পিচ্ছি সোহেল, সবুজ, মিন্টু, আজিজ, ডাকাত মোহন, সালামের ছেলে ইয়াবা শাহিনেরনেতৃত্বে  কালাম, সাগর, চোরা সুমন, আলমের ছেলে আলআমিন, অলুর ছেলে শুভ,  এছাড়া  টোকাই হানিফ,  সোরহাবে ছেলে  হান্ড্রেড বাবু, ছখিনা নেত্রীরছেলে জাবেদ।

মাদক বিক্রেতাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ফতুল্লার কয়েকটি এলাকার মানুষ

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট মাদকে ভাসছে গোটা ফতুল্লা রেলষ্টেশন, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনী, ও জোড়পুল  এলাকা। হাত বাড়ালেই প্রকাশ্যে মিলছে ফেন্সিডিল,…

Read More

মেয়রকে সেলিম ওসমানের অনুরোধ

  ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট শহরের মর্গ্যান গালর্স স্কুলের বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ভবন উদ্বোধনকালে সাংসদ সেলিম ওসমান নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়রের প্রতি…

Read More