দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হচ্ছে মুকুল ও আজাদ!

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
দলের প্রতি অশ্রদ্ধেয় আচরণ করার ফলে শাস্তিস্বরূপ আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না দুইজন বর্তমান চেয়ারম্যান। তাঁরা হলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস ও বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল। সবশেষ গত রোববার অনুষ্ঠিত হয় সংসদ নির্বাচনে এ দুইজন চেয়ারম্যান তাদের নিজ দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে সরকার দলীয় জোটের পক্ষে কাজ করেন। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিশাল কর্মযজ্ঞ শেষ করেই এবার প্রায় ৫০০ উপজেলায় নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমদিকে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। সে নির্বাচনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যাঁর বিরুদ্ধে বিগত দিনে সরকার দলের নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেন মুকুল। তিনি মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি। ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ। আর সে কারণেই গত নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়েছেন। আর সবশেষ গত ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনে তিনি সরাসরি মহাজোটের প্রার্থী সেলিম ওসমানের জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নামেন। খোদ ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আকরামের অভিযোগ ৩০ ডিসেম্বর মুকুল বিএনপির ভোটারদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন। এবার মুকুলও চাচ্ছেন মনোনয়ন পেতে আর জয় পেতে। বিএনপি ভবিষ্যতে মুকুলকে মনোনয়ন দিচ্ছে না এটাও নিশ্চিত। সে কারণে এবার তিনি নির্দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। চেষ্টা করবেন জাতীয় পার্টির এমপির সমর্থন নিতে। সবশেষ নির্বাচনে আতাউর রহমান মুকুল পান ১৯ হাজার ৫৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন প্রধান পান ১১ হাজার ১৩২ ভোট। তিনি জাতীয় পার্টির নেতা। ১০ হাজার ৮৮১ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ সালাম যিনি মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *