আজ শুক্রবার | ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১ | ৫ শাওয়াল ১৪৪৬ | রাত ১:৩৮
শিরোনাম:
ঈদের ছুটিতে সোনারগাঁয়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়    ♦     আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার    ♦     সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নিচার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড    ♦     নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জামাতটি হবে সকাল ৮ টায়    ♦     ঈদের ছুটিতে ২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৪১ লাখ সিমধারী    ♦     ঈদ মোবারক    ♦     রূপগঞ্জের রিয়াজ বাহিনীর গুলিবিদ্ধ পথচারীর মৃত্যু    ♦     সৌদিআরবের সাথে মিল রেখে ফতুল্লায় ঈদ উদযাপন    ♦     আড়াইহাজারে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা    ♦     নারায়ণগঞ্জ শহরে বেপরোয়া পরিবহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান    ♦    

সেন্টুকে নিয়ে ফতুল্লা বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা দ্রæত গ্রেফতার দাবি বিএনপির নেতাকর্মীর!

ডান্ডিবার্তা | ১৮ মার্চ, ২০২৫ | ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওসমান পরিবারের দোসর এবং আওয়ামী লীগের ডেভিল মনিরুল আলম সেন্টু কে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে  তারা বলেন, অত্যন্ত সুবিধাবাদী আওয়ামী লীগের দোসর মনিরুল আলম সেন্টু তার ক্ষমতার পাকাপোক্ত করার জন্য ওসমান পরিবারের সাথে আতাত করে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ বাগিয়ে নেয়। আওয়ামী লীগে যোগদান করার পর মনিরুল আলম সেন্টু ফতুল্লা থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে বেড়াতো। সেন্টু চেয়ারম্যানের ভয়ে বিগত আওয়ামী লীগের দুঃশাসনকালে সরকারের বিরুদ্ধে গত ১৫ বছরে বিএনপির কোন নেতাকর্মী আন্দোলনে যোগদান করতে পারেনি। যারা সাহস নিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে যোগদান করেছে তাদেরকে সন্ত্রাসী দিয়ে ধরে এনে শায়েস্তা করেছে। এমনকি তার ইউপি চেয়ারম্যানের পদ ধরে রাখতে বিএনপির সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আওয়ামী লীগে যোগদান করে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। এরপর থেকে সেন্টু চেয়ারম্যানের উৎপাত আরো বৃদ্ধি পায়। ভূমিদস্যুতা, মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দেওয়া সহ নানান ধরনের অপকর্ম করে আসছিল। গত ৫ আগস্টের পর ছাত্র- জনতার আন্দোলনে বাধ্য হয়ে শেখ হাসিনার সহ সেন্টুর গডফাদার শামীম ওসমান স্বপরিবারে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও সেন্টু বহাল তবিয়তে নারায়ণগঞ্জে রয়ে যায়। এমনকি তার শিষ্য ফতুল্লা থানা বিএনপি’র সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর মাধ্যমে এলাকায় ধাবড়িয়ে বেড়ালো তাকে এখনো পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনী রহস্যজনক কারণে গ্রেফতার করেনি। এতে করে বিএনপির ত্যাগ নির্যাতিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স¤প্রতি ফতুল্লা থানার বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু তার রাজনৈতিক গুরু মনিরুল আলম সেন্টু আওয়ামী লীগের চাপে পড়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছে বলে একটি বক্তব্য দেওয়ায় কুতুবপুর সহ সমস্ত জেলায় নেতা কর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকে বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় অনেক নেতাকে আওয়ামী লীগ সরকার গোয়েন্দা সংস্থার লোক দিয়ে ধরে এনে শারিরীক, মানসিক নির্যাতন চালিয়ে ছিলো। লোভনীয় অফার দিয়েছিলো। জেলবন্দী করেছিল। কই মীর্জা ফখরুল,আব্বাস,সালাউদ্দিন, নবী হোসেন, এ্যানিরা তো বিএনপি ছেড়ে যায়নি। সেন্টু এমন কি নেতাছিল তাকে চাপে দলত্যাগ করতে হবে। এক সময় সেন্টুর জুতা টানা এবং ট্রাকের পাত্তি মিস্ত্রী শহিদুল ইসলাম টিটু সেন্টুর পক্ষে কথা বলায় শহিদুল ইসলাম টিটুর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিএনপির জেলা বা কেন্দ্রীয় হাই কমান্ড। এতে করে প্রমাণ হয় আওয়ামী লীগের ডেভিলদের রক্ষা করতে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, জেলা  বিএনপির কতিপয় কিছু নেতা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে গোপনে আওয়ামী ডেভিলদের পক্ষে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারন নেতাকর্মীরা। টিটুর সহযোগী হিসেবে কাজ করছে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি হাজ্বী শহীদুল্লাহ্। তারা বলেন, আমাদের নাম প্রকাশ করা হলে আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে। অথচ গত ১৫ বছর সেন্টু, আওয়ামী লীগের ও শামীম ওসমানের দোসর হিসাবে কাজ করে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্ধকৃত টাকা লুটপাট, অন্যের জমি জমা দখল, মাদক বিক্রেতা ও সন্ত্রাসীদের শেল্টার দিয়ে আসছিলো। এতে করে সেন্টু কয়েক শত কোটি টাকার মালিক বনে গিয়ে দেশে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলে। যা দূর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে। শহিদুল ইসলাম টিটুর মতো স্বল্প শিক্ষিত নেতাদের কারণে দল আজ ক্ষতিগ্রস্ত। অথচ শহিদুল ইসলাম টিটুর কোন ব্যবসা-বাণিজ্য না থাকা সত্তে¡ও তিনি ৬২ লাখ টাকা দিয়ে একটা গাড়ি কিনেছেন। সেন্টু ও টিটুর বিরুদ্ধেও মাদক বিক্রেতা, ভূমিদস্যুদের শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একটা সূত্র হতে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম আলম সেন্টুকে ফের ফতুল্লায় বিএনপিতে প্রতিষ্ঠা করতে উঠে পড়ে লেগেছে শহিদুল ইসলাম টিটু, হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ এর মতো সুবিধা ভোগী নেতারা। টিটুর বক্তব্যকে অনেকে দলের বিরুদ্ধে গেছে বলে মনে করলেও টিটুর বিরুদ্ধে দল কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বরং তাকে জেলা বিএনপি’র কমিটিতে আনার জন্য একটি পক্ষ উঠে পড়ে লেগেছে। সাধারন নেতা কর্মীদের দাবি সেন্টু যেহেতু দলের দুঃসময়ে দলত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগদান করে নিজের আখের গুছানো ব্যস্ত ছিলো। গণঅভ্যুত্থানের প্রায় সাত মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত সেন্টু চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করেনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। অথচ আওয়ামী লীগের দোসর ও  ডেভিল কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধান, এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আসাদ চেয়ারম্যান কে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অথচ আওয়ামী লীগের ডেবিল ও ওসমান পরিবারের দোসর মনিরুল আলম সেন্টুকে রহস্যজনক কারণে আইন শৃংখলা বাহিনী গ্রেফতার করেনি। এতে করে সাধারণ মানুষের ও বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ বিরাজ করছে। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের দোসর, ডেভিল কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
তাকে গ্রেফতার করা না হলে রাজপথে নামতে পারে কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে জানতে কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টুর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।




Your email address will not be published.

Comments are closed.


আজকের পত্রিকা
আজকের পত্রিকা
ফেসবুকে আমরা
পুরনো সংখ্যা
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
Copyright © Dundeebarta 2024
ডান্ডিবার্তা