আজ বৃহস্পতিবার | ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১ | ৪ শাওয়াল ১৪৪৬ | সন্ধ্যা ৭:৫৬
শিরোনাম:
ঈদের ছুটিতে সোনারগাঁয়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়    ♦     আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার    ♦     সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নিচার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড    ♦     নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জামাতটি হবে সকাল ৮ টায়    ♦     ঈদের ছুটিতে ২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৪১ লাখ সিমধারী    ♦     ঈদ মোবারক    ♦     রূপগঞ্জের রিয়াজ বাহিনীর গুলিবিদ্ধ পথচারীর মৃত্যু    ♦     সৌদিআরবের সাথে মিল রেখে ফতুল্লায় ঈদ উদযাপন    ♦     আড়াইহাজারে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা    ♦     নারায়ণগঞ্জ শহরে বেপরোয়া পরিবহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান    ♦    

চাঁদাবাজি নিয়ে বাড়েছে সংঘাত

ডান্ডিবার্তা | ১৯ মার্চ, ২০২৫ | ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
গত ৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরপরই শেখ হাসিনার যে সকল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছিলো তারাও পালিয়ে যায় এতে করে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজিসহ নানান অনিয়ম বন্ধ হয়ে যায়। আর চাঁদাবাজি রুখতে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেয়। এতে করে সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় এই সাইনবোর্ড এলাকার চাঁদাবাজি। তবে সামপ্রতিক সময়ে সাইনবোর্ড এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলদারিকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, সাইনবোর্ড চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, লুটপাটের রাম রাজত্ব কায়েম করছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন। ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের পতন হওয়ার পর থেকেই ভুইগড়, রূপায়ন, মাহমুদপুর, সাইনবোর্ড, শান্তিধারা আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি লুটপাটসহ নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন এই মামুন। মামুনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ফতুল্লা মডেল থানায় বেশ কয়েকটি চাঁদাবাজি, লুটপাট ও দখলবাজি অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সাইনবোর্ড এলাকার ভূমিদস্যু খ্যাত আওয়ামী নেতা রাজ্জাক বেপারীর আধিপত্য নিতে তার পালিত সন্ত্রাসীদেরকে নিয়ে সাইনবোর্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন এবং দোকানপাট দখল করে চাঁদাবাজির মহোৎসব পরিণত করেছেন। ভুইগড়তথা সাইনবোর্ড এলাকায় যারা প্রকৃত বিএনপির রাজনীতিতে সাথে জড়িত তারা মামুনের এরকম কর্মকান্ডে হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। তারা মনে করেন মামুন আসলে দলের কেউ নয় দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কিছু ভূমিদস্যু খ্যাত আওয়ামীলীগের নেতাদের প্রশ্রয় এবং সেই আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীদেরকে সাথে নিয়ে এলাকায় গড়ে তুলেছেন একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষকে হুমকি-ধমকি এমনকি টাকা পয়সা না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিভিন্ন প্রকার হয়রানির অভিযোগ রয়েছে এই মামুনের বিরুদ্ধে এতগুলো অভিযোগ হওয়ার পরেও মামুনের বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্থলা বাহিনী নিরব এতে করে সাধারণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ। আরও জানা যায়, ৫ ডিসেম্বর সাইনবোর্ড শান্তিধারা এলাকায় বাইতুল মোকাররম হকার্স মার্কেট নামের একটি মার্কেটে অফিস তালাবদ্ধ করে দেন সন্ত্রাসী মামুন ও তার বাহিনী। অন্যদিকে শান্তি ধারা হকার্স মার্কেট সহ ফুটপাত হতে চাদাঁবাজি করে আসছিল। এজন্য তারা জেলা যুবদলের ব্যানার ব্যবহার করে অফিস খুলে বসে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সঞ্চয়, মাহফুজ, রাকিব, রাব্বি, ভুয়া পুলিশ পরিচয়দানকারী শাহাদাত বিএনপির নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের দোসর সাদ্দাম, রাসেল, তানহাকে নিয়ে চাঁদাবাজি সহ নানান অপকর্ম করে আসছিল। এজন্য তারা বিভিন্ন সময় ছাত্রদলের ও যুবদলের নাম ব্যবহার করতো। মুল্লুক চান নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, শাহাদাত পুলিশের নাম ব্যবহার করে ও বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে অনাবিল পরিবহন, শান্তিধারা হকার্স মার্কেট সহ বিভিন্নভাবে ভাবে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছিলো। এলাকার মার্কেট মালিক মজিবুর রহমান বলেন, দোকান ভাড়া জোর করে আদায় করে নিতো। তাদের নিষেধ করলে তারা মান্য করেনি বরং প্রতিবাদকারীদের আওয়ামী লীগের ট্যাগ লাগিয়ে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতো এবং হয়রানি করতো। চায়ের দোকানদার সোহান বলেন, আমার কাছ থেকে ৭০০০ টাকা বাকি খেয়েছে। টাকা চাইলে নানান ধরনের হুমকি প্রদান করে। এমনকি রিক্সার গ্যারেজ মালিকরাও উক্ত চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুবদল, বিএনপির নাম ব্যবহার করায় সঞ্চয়কে ও তার সহযোগীদের গনপিটুনী দেয়। এক পর্যায়ে সঞ্চয়সহ তার সহযোগী মাহফুজ, রাকিব, রাব্বি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। জানা যায়, সাইনবোর্ড শান্তিধারা হর্কাস মার্কেট এলাকায় চাদাঁবাজি করার সময় সঞ্চয় বাহিনী প্রধান সঞ্চয়কে গণপিটুনী দেয় ভূক্তভোগী এলাকাবাসী। গত ১০ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২ টায় চাদাঁবাজি করার সময় উত্তেজিত জনতা গণপিটুনী দিতে থাকে। একপর্যায়ে সঞ্চয় ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি শান্ত করে। এই চাদাঁবাজি ঘটনাকে ইতিমধ্যেই কয়েক গ্রæপের মধ্যে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ভূইগড়ের চিহ্নিত চাঁদাবাজ মামুনকে থানার সামনেই মারতে মারতে ওসির রুমে নিয়ে যায় বেশ কয়েকজন ছাত্রদল নেতা। তবে একদিন পরেই জামিনে বের হয়ে সেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় মামুন ও তার বাহিনী। আর এই ঘটনার পর এখন সাইনবোর্ড এলাকায় অনেকটাই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।




Your email address will not be published.

Comments are closed.


আজকের পত্রিকা
আজকের পত্রিকা
ফেসবুকে আমরা
পুরনো সংখ্যা
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
Copyright © Dundeebarta 2024
ডান্ডিবার্তা