ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংরোড ও পুরাতন রোডে যাত্রী ছাউনি না থাকায় ভোগান্তীতে যাত্রীরা

ফতুল্লা প্রতিনিধি

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ (ফতুল্লা-পাগলা) পুরাতন সড়কটির দু’পাশে ঘিড়ে আছে বিভিন্ন বাস কাউন্টার, অক্ট্রো অপিস, পঞ্চবটি, ফতুল্লা, পাগলা এই সব এলাকায় কাউন্টার থাকা সত্যেও যাত্রীদের জন্য যাত্রী সেবা নামে যথাযথ যাত্রী ছাউনি নেই। একই অবস্থা দেখা যায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংরোডের নতুর কোর্ট, শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, সাইন বোর্ড বাস কাউন্টার আছে নেই যাত্রীদের সেবা নামে যথাযথী যাত্রী সেবা। অভিযোগ আছে , ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ যাতায়াত করা সাদারণ যাত্রীরা কাউন্টারের পাশে যাত্রী ছাউনি নেই, আবার কোথাও থাকলেও যথাযথ ব্যবস্থা নেই। এতে করে যাত্রীরা বৃষ্টিতে বিজে, রোদে পুরে টিকেট নিয়ে দারিয়ে থাকে। এত করে চরম ভোগান্তী দেখা দেয় যাত্রীদের মাঝে।

সরজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের প্রধান দু’টি সড়কের মাঝে বাস কাউন্টার থাকলেও নেই কোন যাত্রী ছাউনি, যাও হাতে গনা কয়েকটি যাত্রী ছাউনি আছে তাও আবার যথাযথ ব্যবস্থা নেই দেখা গেছে। যাত্রী ছাউনির উপরে টিন দেয়া থাকলেও চার পাশে খোলা পরিবেশ বৃষ্টিতে যাত্রীদের দাড়াবার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার কারনে বৃষ্টিতে বিজে যায় যাত্রীরা। আবার রোদের সময় একই অবস্থা পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা না থাকার কারণে যাত্রীরা রোদে দাড়িয়ে থাকে গাড়ি না আসা পর্যন্ত। দু’টি প্রদান সড়কে শিবু মার্কেট ও ফতুল্লা পোষ্ট অফিস রোডে বড় যাত্রী ছাউনি থাকলেও তার থেকে বেশ কিছুটা দুরে বাস কাউন্টার। যাত্রী ছাউনি থাকলেও সারাদিনে যাত্রীর দেখা মিলে না এই যাত্রী ছাউনিতে কখনো দেখা যায় খালী, আবার কখনো দেখা মিলে কিছু নেশা গ্রস্থ্য ব্যক্তির যারা ঘোমিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দেয়। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক ফতুল্লার এক বাসিন্দা ব্যবসার কাজে প্রতিদিন ঢাকা যাতায়াত করতে হয় তাকে তিনি জানান, এই সড়কে গাড়ি বাড়ছে কিন্তু যাত্রী সেবা বাড়ছে না। একটু খেয়াল করে দেখেন শিবু মার্কেট থেকে শুরু করে ঢাকা কাউন্টার আগে পর্যন্ত কোথাও কাউন্টারে যাত্রী ছাউনি নেই। আসা যাওয়ার পথে আমি প্রায় সময় দেখি শিবু মার্কেট, পোষ্ট অফিস রোডে পাকা করা যাত্রী ছাউনি দেখতে পাই এই গুলো সরকারি ভাবে করা কিনা আমি জানি না।কিন্তু এই যাত্রী ছাউনি গুলো কোন কাজে দিচ্ছে বলে আমার মনে হয় না, কারণ এই যাত্রী ছাউনি থেকে বেশ কিছুটা দুরে ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ সড়কের বাস কাউন্টার গুলো। বাস কাউন্টার গুলোতে নির্দিষ্ট  যাত্রী ছাউনি না থাকার কারনে আমাদের মতো অসংখ্য যাত্রীরা বৃষ্টির সময় টিকিট নিয়ে দারিয়ে বিজছে, আবার রোদের সময় রোদে পোড়ে দাড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছে। এতে করে আমিসহ অসংখ্য যাত্রীরা ভোগান্তীর শিকার হচ্ছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ যাতায়তরত যাত্রীরা পরিবহন গুলোর বাস মালিকদের কাছে যাত্রী ছাউনির প্রতি দৃষ্টি দিতে বলেন, যাতে করে বাস গুলো যানজটের কারণে বা অন্য কোন কারণে হোক দেরিতে আসলে আমরা যাত্রীরা যাতে করে রোদ বৃষ্টি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পাড়ি বসতে বা দাঁড়ানোর মতো পর্যাপ্ত পরিমান জায়গাটুকু আমরা যাত্রীরা পাই।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *