২৪নং দেওভোগ বালক সঃ প্রাঃ বিঃ সমাপনীর বিদায় অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে দৃষ্টি দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে ২৪নং দেওভোগ বালক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণী সমাপনীর ৪৩জন পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষ দৃষ্টি থাকার প্রশংসা করেন অতিথিরা। দেশের প্রতিটি স্কুল এখন মডেল হিসেবে রূপান্তর করা হচ্ছে, শিক্ষাখাত-কে উন্নত করার লক্ষ্য প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি উদ্যোগ নিয়েছে। ২৪নং দেওভোগ বালক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও শুক্কুরকারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবু সায়েম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত, মহানগর আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, সমাজসেবক লিলু ভূইয়া, হাজী শাহিন, প্রধান শিক্ষিকা অর্চনা রানী সাহা ও কাইয়ূম কানন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও মিলাদ আয়োজন করা হয় এবং ৪৩জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিক্ষার সামগ্রী প্রদান করা হয়। শুক্কুরকারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সকল শিক্ষার্থীরদের মধ্যে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। আবু সায়েম সিদ্দিকী বলেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা নিয়ে তার প্রশংসিত ভূমিকা বলে শেষ হবে না। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে উন্নয়ন করার জন্য বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। প্রাক প্রাথমিক রুমের নিদের্শনায় শিক্ষাখাতে আরেক ধাপ উন্নত লক্ষ্য করা গেছে। বছরের প্রথম দিনেই নতুন ও পুরাতন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করে বিশে^র কাছে দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন ও এমপিওভূক্ত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামীদিনে আরো শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন রকমের নিদের্শনা আসছে, সেগুলো পালন করা হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মডেল স্কুলের মত উন্নত শিক্ষা পাবেন। নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরাফাত বলেছেন, এই স্কুলের ক্লাস ৩ থেকে পড়েছি, আমার অনেক স্মৃতি আছে এই স্কুলে। স্কুলের স্যাররাও আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমি ক্লাস ৩ তে একবার ৯৯ পেয়েছিলাম তখন আমাকে হেড স্যার ডেকে আমার পরিচয় জেনেছিলেন, আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমি কি কিছু ভূল করেছি? তখন স্যার বলেছিলেন না। পরে আমি বুঝতে পারি, আমি ৯৯ পেয়েছিলাম তাই আমাকে ডেকেছিলেন। এটা এ জন্য বলা যে, তোমরা যদি ভালো ফলাফল করো তাহলে তোমাদেরকেই শিক্ষকসহ সকলেই খুঁজে নেবে তোমাকে কাউকে খুঁজে বের করতে হবেনা। এ স্কুলের উন্নয়নের জন্য আমাদের অনেকেরই অনেক কিছু করার আছে বলে আমি মনে করি। যেহেতু আমাদের দল ক্ষমতায় এবং দেশরতœ শেখ হাসিনার সরকার বিদ্যমান। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে তার বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। তিনি শিক্ষাখাতের এবং স্বাস্থ্যখাতের জন্য প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব ও বাজেট দিয়ে থাকেন। শিক্ষায় আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে যদি আমরা বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই। এ স্কুল থেকে আমরা যারা এ পর্যায়ে এসেছি আমি মনে করি এখন তোমরা যারা শিক্ষার্থী আছো তোমরা আরো ভালো জায়গায় যাবে। আমার চেয়ে ভালো স্থানে জাতীয়ভাবে কোন স্থানে নেতৃত্ব দেবে এবং ভালো বক্তব্য রাখবে বলে আমি মনে করি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা আগামীতে ভালোভাবে লেখাপড়া করবে, বাবা মায়ের কথা শুনবে, শিক্ষকদের পরামর্শ গ্রহণ করে ভালো ফলাফল করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এটাই আমি প্রত্যাশা করি।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *