হতাশ আওয়ামী লীগ নেতারা

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

এবছর ৪৮০টি উপজেলা মধ্যে ঢাকা অঞ্চলে ৩৪ উপজেলার মধ্যে ভোট হবে ৩৩টিতে। এ বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা সীমানা সংক্রান্ত মামলার কারণে নির্বাচন হচ্ছে না। নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। সে নির্বাচনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যাঁর বিরুদ্ধে বিগত দিনে সরকার দলের নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। আর সে কারণে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। তাঁদের অনেকেই নির্বাচনের জন্য ভেতরগত প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও মামলার জটিলতায় নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়াতেই সেই হতাশার জন্ম। কয়েকটি এলাকা বাদ দিয়ে উপজেলা গঠন হওয়ায় গত বছর ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে একটি রিট করা হয়। যার পিটিশন নং- ৩০৮৯। এ রিট করেন ফতুল্লা চৌধুরী বাড়ির মৃত সুলতান বক্স চৌধুরীর ছেলে মো. আসাদউদ্দিন চৌধুরী, পশ্চিম মাসদাইরের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে বজলুর রহমান ও কাশিপুর উত্তর গোয়ালবন্দের হেলালউদ্দিন মুন্সীর ছেলে মো. হামিম মুন্সী। রিট আবেদনকারী ৩ জনই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আসাদ চৌধুরী সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি নিত্যান্ত একজন ছা পোষা লোক। লেখাপড়া তেমন জানেন না। ফতুল্লা ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও আজাদ বিশ্বাসের ভায়রা মোস্তাফিজুর রহমান রুমী চৌধুরীর ফুট ফরমাশ খাটে সে। ২নং আবেদনকারী বজলু তৈমূর আলমের ভাগ্নে ও ছাত্রদল নেতা রুশোর ভাই। অপরজন হামিম মুন্সী কাশিপুর গোয়ালবন্দ এলাকার যুবদল নেতা ও আজাদ বিশ্বাসের কর্মী বলে পরিচিত। তিনজন অপরিচিত মুখ দিয়ে আদালতে রিট করার পেছনের কারিগর বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এ কথা আড়ালে আবঢালে স্বীকার করেছেন অনেক বিএনপি নেতা। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান হিসেবে বেশ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁর মধ্যে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল, জেলা কৃষকলীগের সেক্রেটারী ইব্রাহিম চেঙ্গিস, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ভূইয় সাজনু। তাঁদের সকলেই মূলত শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। এর আগেও উপজেলা নির্বাচনের সময়ে শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজনেরা আগ্রহ দেখায়। কিন্তু মামলার অজুহাতে তখন নির্বাচন আটকে যায়। নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারীতে অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। সে নির্বাচনে বিএনপির আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন যাঁর বিরুদ্ধে বিগত দিনে সরকার দলের নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার কিছু এলাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠন হওয়ায় ওই সব এলাকা বাদ দিয়ে উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ (২০০৯ সনের ৩০ জুন সংশোধিত) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার সদর উপজেলা পুনর্গঠন করে। ২০১৪ সালের ৪ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। এদিকে কয়েকটি এলাকা বাদ দিয়ে উপজেলা গঠন হওয়ায় গত বছর ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে একটি রিট করা হয়। যার পিটিশন নং- ৩০৮৯। এ রিট করেন ফতুল্লা চৌধুরী বাড়ির মৃত সুলতান বক্স চৌধুরীর ছেলে মো. আসাদউদ্দিন চৌধুরী, পশ্চিম মাসদাইরের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে বজলুর রহমান ও কাশিপুর উত্তর গোয়ালবন্দের হেলালউদ্দিন মুন্সীর ছেলে মো. হামিম মুন্সী। রিট আবেদনকারী ৩ জনই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আসাদ চৌধুরী সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি নিত্যান্ত একজন ছা পোষা লোক। লেখাপড়া তেমন জানেন না। ফতুল্লা ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও আজাদ বিশ্বাসের ভায়রা মোস্তাফিজুর রহমান রুমী চৌধুরীর ফুট ফরমাশ খাটে সে। ২নং আবেদনকারী বজলু তৈমূর আলমের ভাগ্নে ও ছাত্রদল নেতা রুশোর ভাই। অপরজন হামিম মুন্সী কাশিপুর গোয়ালবন্দ এলাকার যুবদল নেতা ও আজাদ বিশ্বাসের কর্মী বলে পরিচিত। তিনজন অপরিচিত মুখ দিয়ে আদালতে রিট করার পেছনের কারিগর বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এ কথা আড়ালে আবঢালে স্বীকার করেছেন অনেক বিএনপি নেতা।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *