রাজপথে দাপট নেই জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
টানা তৃতয়িবারের মত দল ক্ষমতায় থাকলেও জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের অধিকাংশ পদধারী নেতা কর্মী শূণ্য হয়ে পড়েছেন। এর ফলে নারায়ণগঞ্জের রাজপথে ব্যাপক আয়োজনের মধ্যদিয়ে দলীয় কোন কর্মসূচি পালন করতে পারেনি জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের পদধারী শীর্ষ নেতারা। এমনকি একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ঢাকাতে আওয়ামীলীগের আনন্দ র‌্যালীতেও কর্মী ছাড়াই শুধু নেতারা গিয়েছেন। যদিও হাতেগুনা কয়েকজন কর্মী দেখা গেছে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাইয়ের সাথে। কিন্তু কর্মী ছাড়াই র‌্যালীগে যোগ দান করেছে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। সর্বশেষে মহান স্বাধীনতা দিবসে একযুগ ধরে ক্ষমতার বাহিরে থাকা বিএনপিও তাক্ লাগানো কর্মসূচি পালন করলেও অনেকটা নিশ্চুপ ছিল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ। অত:পর আজ বুধবার ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি চিরস্মরনীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিব নগর থেকে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র জারি করা হয় এবং এর মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়। এরপর থেকেই প্রতিবছর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এই দিনটিকে মুজিব নগর দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। তবে বুধবার ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস হলেও এবছর এই দিনটি স্মরণে তেমন আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়নি ক্ষমতাসীন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগে। যেন অনেকটা গাঁ ছাড়া ভাব মনে হয়েছে শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে! বুধবার দলীয় কোন কর্মসূচি আছে কিনা জানতে চাইলে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বুধবার তো ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস! কর্মসূচি, এ্যা..আছে। বিকালে সন্ধ্যার পর দলীয় কার্যালয়ে একটু আলোচনা সভা করমু আর কি!’ তবে কর্মসূচির ব্যাপারে জানতে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। মূলত, ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া স্বাধীনতার ঘোষনাকে এর মাধ্যমে প্রতিপাদন করা হয়। সেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকার কারনে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহন করে। কয়েক প্লাটুন ইপিআর ও মুক্তিযোদ্ধা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার প্রদান করে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা ১১টায়। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *