মাদক বিক্রেতাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ফতুল্লার কয়েকটি এলাকার মানুষ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

মাদকে ভাসছে গোটা ফতুল্লা রেলষ্টেশন, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনী, ও জোড়পুল  এলাকা। হাত বাড়ালেই প্রকাশ্যে মিলছে ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হোর্ইোন,গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। এলাকার লোকজন মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করলে তাদের মারধর করে মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দাতারা। গত ১৫এপ্রিল বাড়ির সামনে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায়  সোহাগ ও উজ্জল  নামে  দুই যুবককে মারধর করে তাদের শেল্টার দাতারা । মার খেয়ে থানায় অভিযোগকরলেও পুলিশ থেকে কোন সহযোগীতা পাইনি বলে জানা যায়। এমকি অভিযোগের পরে ও পুলিশ কোন তদন্তেও আসেনি  যার কারনে এলাকাবাসী মাদকব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। যে কোন উপায়ে মাদক নির্মুল করতে হবে ও জেলা পুলিশ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বার বার মাদকের ব্যাপারে কঠোরহুকার দিলেও কিছুতেই কর্নপাত করছে না মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে ফতুল্লা থানা পুলিশ থানার অন্যান্য এলাকা মাদকের ব্যপারে কঠোর ভুমিকা নিলেও ফতুল্লারেলষ্টেশন, দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনী, ও জোড়পুল  এলাকায় পুলিশের তৎপর না থাকায় আর এ সুযোগে এই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা আরোবেপোয়ারা হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।  ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ আসলাম হোসেন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করাহলে তিনি অপারেশনে আছে বলে সংযোগটি কেটে দেন। অভিযোগের তদন্তকারী উপ-পরিদর্শক মাজেদ মিয়া’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তারিসিভ করেনি। তবে সচেতন মহল মনে করেন, শুধু ছিচঁকে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে মাদক নির্মূল কিছুতেই সম্ভব নয়। এছাড়া থানা পুলিশের দূর্বলর্চাজশীটে, মামলার দীর্ঘ সূত্রতা সাক্ষীর অভাব এর কারনে আইনের ফাঁক ফোঁকড় দিয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা আদালত থেকে জামিনে বেরহয়ে আবারও মাদকব্যবসায় জড়িয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৬ মাসের সাজা দেওয়া হচ্ছে। এই সাজা আপিল যোগ্য বিধানথাকায় এক বা দুই মাস পর এরা জামিনে বের হয়ে আসছে। সচেতন মহলের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে যে সব মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তার হয়তার বেশীর ভাগই সেলসম্যান অথচ মাদকের মুল গড ফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে থাকছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে। তাদের সেলসম্যানরা গ্রেপ্তারহলে মুল ব্যবসায়ীরা তাদের আদালত থেকে জামিনে মুক্ত করে আবার একই ব্যবসায় নিয়েজিত করান। এছাড়া মাদক স¤্রাটরা কখনো কখনো কোন নাকোন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে । আবার কেউ ক্উে নিজেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স পরিচয় দিয়ে জমজমাট পরিসরে মাদক ব্যবসা করছে। এ মাদকের বিষয়ে এলাকার সচেতন মানুষ যদি কোন প্রতিবাদ করে তবে গড ফাদাররা সে সব লোকজনকে কোন  না কোন ভাবে ফাঁসিয়ে দিয়ে উল্টো তাদেরকে মারধর ও হয়রানি করতে থাকেন বলে অভিযোগ  উঠেছে। ফতুল্লা রেলষ্টেশন, ব্যাংক কলোনী, জোড়পুল এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা হলো, একাধিকমামলার আসামী সামসুল হকের ছেলে ডাকাত লিপুর নেতৃত্বে আঃ গফুর ছেলে আলোমগীর, করিম ড্রাইভারের ছেলে রনি, এরশাদের ছেলে তুফান তার ভাইহালিম  হাসেমের ছেলে সোহেল, বড় সাবের ছেলে বিল্লাল, কাদিরের ছেলে পিচ্ছি সোহেল, সবুজ, মিন্টু, আজিজ, ডাকাত মোহন, সালামের ছেলে ইয়াবা শাহিনেরনেতৃত্বে  কালাম, সাগর, চোরা সুমন, আলমের ছেলে আলআমিন, অলুর ছেলে শুভ,  এছাড়া  টোকাই হানিফ,  সোরহাবে ছেলে  হান্ড্রেড বাবু, ছখিনা নেত্রীরছেলে জাবেদ।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *