লন্ডনের সেবায় অভিভুত আমি অতিথি কলাম

কানিজ ফাতেমা
প্রায় ৯ বৎসর পর লন্ডন আসলাম চিকিৎিসার জন্য। বাংলাদেশে অনেক ডাক্তার দখেলাম কিন্তু ভালো হলাম না। শরীর খুবই খারাপ হয়ে গেল। তাই আমার মেয়ে আমাকে লন্ডন চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেল। চিকিৎসা শুরু হলো এক পর, শুরু হলো শরীরের পরিক্ষা। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় প্রেসার মাপার নিয়ম গুলো। হঠাৎ একদিন রাত ১১টায় আমার প্রেশার বেড়ে গেলো। মাথা যেন কেমন করতে লাগল মনে হলো, যেমন আমি মরে যাবো। পরিবারের সবাই আমাকে দেখে ঘাবরিয়ে গেল কান্না শুরু করল। তারাতারি আমাকে মেয়ে হাসপাতালে ফোন করণ, ফোন করার সাথে সাতে একটি অ্যাম্বুলেন্স বাড়ির স্মনে চলে এল। অ্যাম্বুলেন্স এস সঙ্গে এল ৩ টি ডাক্তার। ২. সি.জি, ডায়াবেটিকস মাপার মেশিন সাথে নিয়ে ৩ জন ডাক্তার বাড়ির ভিতর এল। আমার চেকআপ শুরু করল ডাক্তাররা, তারা এক অপরের সাথে পরাশ করে বুঝতে পারল যে আমার অবস্থা খুবই খারাপ। এরা পর তারা সাথে সাথে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিল। ২০-২৫ মিনিট এর মধ্যে আমাকে ও আমার মেয়ে হাসপাতাল পৌছাল। হাসপাতালটি ছিল হুর্মাটন হাসপাতাল। চিকিৎসা শুরু হলো আমার তখন ছিল না। যখন আমার পাশে বসে আছে। সে আমার মেয়ে আমার মাথায় হাত বুলাল ও বলল যে, মা তোমার কিছুহ হয়নি। হলো সিটিস্কিন, এম, আর, আই, এন্ডেজকপি সব রকমের পরিক্ষা করা হলো। এসব করানোর পর ডাক্তার বলল যে আমারা কোন অস্বাভাবিক বাকোন কিছু হয়নি। আমি ভালো আছি। বাংলাদেশ থেকে আমি যে ওষুধ পত্র গুলো নিয়েছিলাম তা বন্ধ করে দিল। প্রোবার আর ডায়াবেটিকস ছাড়া সব ওষুধ বন্দ করল। আমি আমার শেয়ের সাথে বাড়ি ফিরলাম। ওষুধগুলো বন্দ করার পর আমার শরীরের অসুস্থতা, শরীরের বিভিন্ন সমস্যা কমতে লাগল। আমি পরিমান সুস্থ হয়ে গেলাম আমার বাংলাদেশের আত্বীয় স্বজন ও ভাই বোনদের দোয়ায়। আমার বাংলাদেশের ডাক্তারদের কাছে অনুরধ যে আপনারা একটি ওষুধ না হলে অঅরেকটা দিয়ে দেখেন এটা করবেন না। যাতে করে এসব ওষুধ গুলো খাওয়ার পর আমাদের মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরতে না হয়। আমার দেশের ডাক্তারদের কাছে অনুরধ আপনারা ঘন্টায় ১৫-৩০ রোগীদের নয় ১০, জনই দেখেন তাদেরকে সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দিন।যাতে আমাদের এই বাংলাদেশ ছেড়ে অন্য দেশে চিকিৎসার জন্য যেতেনা হয়। সুস্থ হওয়ার ১ সপ্তাহ পর থেকেই আমার নাতি নাতিœরা আমাকে নিয়ে ঘুরতে লাগল। ১ সপ্তাহ পর আমি গেলাম পিকাডিলি সার্বাস দেখতে। কি সুন্দর মনোরম পরিবেশ সেখানে। দিনটি ছিল ২৫ ডিসেম্বর যা হলো বড়দিন। এদিন জায়গায় জায়গায় বিভিন্ন রকমের লাইট, হরিন, পাচঁতারা। নানা রকমের গাছ গুলো খুবই সুন্দর করে সাজিয়ে রাকা ছিল। যতই দেখছিলাম ফিরে আশার আর হচ্ছে হচ্ছিলনা। তবুও চলে আসলাম. আসাতে হলো কাপালো প্রচুর ঠান্ডার জন্য। কয়েকদিন পর আবার বের হলাম লন্ডনের একটি বিখ্যাত শপিং মলয়ে। ষেথা বিশ্বের বড় ড় ব্যাংকে শাখা আছে। তারপর গেলাম মিউজিয়ামÑঅবÑডেকল্যান্ড। সেখানে দেখলাম ওয়েস্ট – ফিল্ড সপিং সেন্টা যা বানানো হয়েছিল অলেম্পিকের জন্য (২০১১) সালে। ২য় সপ্তাহ পর নিয়ে নাতিরা সেন্ট্রাল লন্ডণে। ওদের বিশ্ববিদ্যালয দেখর জন্য। বড় নাতি পড়াশোনা করছে। ঝঙঅঝ( ঝপযড়ড়ষ ড়ভ ড়ৎরপহঃধষ ধহফ ংভঁরপধহ ংঁঃঁষরবং) দ্বিতীয় নাতনি লেখা পড়া করছে করহমং কলেজে। যা বিম্বের মধ্যে ১ নম্বর কলেজ। আমার নাতনি সেখানে গবফরপরহব নিয়ে পড়াশোনা করছে। ওঈঊ ঝঈঅওণঘএ জওঘএঝ শেখা বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা খেলাধুলার জন্য আসে। এসব দেখে বাড়ি ছিরে এলাম। বাংলাদেশে তখন নির্বাচন চলছে াার তখন লন্ডনে বসে আছি। প্রত্যোটি চ্যানেলই নির্বাচন খবর চলছে। দেখাচ্ছে শুরু একটি দলেরই অগ্রগতি। এসব ছাড়া আরকোন খবরই দেখতে পাইনা। তাই বসে রইলাম। যাই হাকে সেনার বাংলাদেশ শান্তিময় ও সুখী থাকুক তাই কাম্য। সব কিছুই শেষ হলো দিন গুলোতে লাগলাম দম বন্দ হয়ে আসছিল। তখন দেখে ফিরব। আমার মাতৃভাুমি, আমার জন্মভুমি আমি ভুৈিতে সবাই বারন করল একরারে থাকার জন্য। আমি বল্লাস আমার পক্ষে সম্বব নয় আমি পারবনা আমার দেশকে ছেড়ে এই দেশে একেপারে খাকতে। তারপর সিদ্বান্ত হলো যে, একমাস পর দেশে নিয়ে আসবে। কতদিন পর গিয়ে ভাই বোন আত্তিয় স্বজনদের দেখব।অ সব শেষে একটি কথা যে আমেরিকা, লন্ডন এবস বড় বড় রাষ্টে আমার মতো মায়েরা কিভাবে থাকছে? আল্লাহর হুকুমে হয়তো আবার লন্ডনে আসব। কিন্তু ১-২ বৎসরের জন্য নয, ২ থেকে ৩ মাসের জন্য। আমি না আসতে পারলেও ওরা যাবে দেশে আমাকে দেখতে। ওদের জন্য আমার সব সময় দোয়া থাকবে রেন ওরা সবসময় ভালো থাকে সুখে থাকে ইসলামের পক্শে থাকে ও যার যার লক্ষে পৌছায়। বসে বসে টিভি দেখলিলাম ঠিক তখন একটি ফোন আসলো। ফোনটি মেয়ের জামাহয়ের আমাকে বলল যে আম্মু টিকেটি ওকে করেছি, ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখে তোমার টিকেটটি করেছি। মেয়ে বলল আম্মু তুমি চিন্তা করনা যে কতদিন তুমি এখানে আছভ খাও গুরো বেড়াও আনন্দ ররো। ্েক সাথে বসে টিভি দেখছিলাম াামার মুখের দিক তাকিয়ে মেয়ে বলল, আমি পারিনা আমার কাছে তোমকে সবসময়েরজন্য রেখে দিতে? আমি বেিজ উঠতে পারছিলাম না ওকে কি করে উত্ত দিরো শুধু এত টুকু বললাম যে মা বাংলাদেশে তো াামার আরো ২টা সন্তান আছে। তাদেরকে নিয়ে থাককে চাই আমার মৃত্যু পর্যন্ত। আমার মৃত্যু যেন আমার জন্মভ’মি, মাতৃভুমি বাংলাদেশে হয়। আল্লাহর কাছে এই ফরিযাদ করি। আজ ১৮/২/১৯ আমার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার কথা এয়ারপোর্টে গেলাম, বিমান ছারতে ১ ঘন্টা বাকি । টিকেট পাসর্পোট চেকিং করতে গেলাম, খোর পর আমার মেয়ে বলল, আপনারা বাংলাদেশে যেতে পারবেন না। কারন আপনার ব্রিটিশ পাসর্পোটে ৬ মাস সময় থাকতে হবে। আপনার পাসর্পোটের ৫ মাস সময় আছে। তাই আপনি বাংলাদেশে যেতে পারবেন না। এদিকে ওদিকে দৌড়াদৌরি করতে লাগল এদক থেকে ওদিক। কোন ভাবেই কাজ হলো না, যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। মা তুমি চিন্ত করো না মন খারাপ করোনা। আমি উলোট করে সান্তরনা দিয়ে বলালাম তুমি চিন্তা করো না। আল্লাহ যা করে মঙ্গেলের জন্য করে। এটা বলে আমি ওক সাহস দিলাম। বাসায় ফিরে আসলাম ২ দিনের মধ্যে পাসর্পোট রিনিউ করল, ভিসা নিল। ২৮ ফেব্রুয়ারির টিকেট রিল। বাংলাদেশের উদ্বেশ্যে রওনা হলাম রাত ৮টার সময়। অবশেষে সকাল সাড়ে ৭টায় আমার দেশে বাংলাদেশে এসে পৌছালাম। জন্মভুমির মাটিতে এসে দারিয়ে মনে অনেক অনরন্দ ভরে গেল। আমার দেশের চেনা অচেনা সকলোর কাছে দোয়া কামনা করছি।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *