রশিদ চেয়ারম্যান-সানু-শান্তা ভাইস চেয়ারম্যান

নাসির উদ্দিন
পঞ্চম ধাপের বন্দর উপজেলা নির্বাচন কোন প্রকার অপ্রিতিক ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী এমএ রশিদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সানাউল্লা সানু ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সালিমা হোসেন শান্তা বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে সবকটি কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। উপজেলা প্রশানের দাবি ভোট পড়েছে ২০ভাগ। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র ঘরে দেখা যায় ভোট কেন্দ্রগুলি খালি ও ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা এবং আইন শৃংখলা বাহিনী অলস সময় কাটাচ্ছেন। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত দিঘলদী কেন্দ্রে ভোট পড়ে মাত্র ১টি। নির্বাচনে ভোট গ্রহণকারীরা বিভিন্ন এলাকার মসজিদের মাইকে ডাকাডাকি করেও কোন সারা পায়নি ভোট গ্রহণকারীরা। তবে আইন শৃংখলা বাহিনী ছিল কঠোর অবস্থানে। পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বিভন্ন ভোট কেন্দ্র ঘুরে আইন শৃংখলা বাহিনী তৎপরতা দেখে সন্তুষ প্রকাশ করেন। তার কঠোর পদক্ষেপে বন্দরের কোথায় কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচনী কর্মকর্তারা বন্দর উপজেলা কন্ট্রোল রুমে এসে ভোটের রেজাল্ট জমা দেন। বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ৫৪টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৪ হাজার ৫শ’ ৫৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হলেন ৫৮ হাজার। মহিলা ভোটর ছিলেন ৫৬ হাজার ২শ’ ৬৪ জন। এ মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে উড়োজাহাজ প্রতীকে জাপা নেতা সানাউল্লাহ সানু ১১ হাজার ৬ হাজার ৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা আক্তার হোসেন ২ হাজার ৪শ’ ৬৮ ভোট, জামাতকে সমর্থনকারী নুরুজ্জামান পেয়েছে ২ হাজার ৪শ’ ৯ ভোট ও থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জুয়েল পেয়েছেন মাত্র ৪শ’ ৮৭ ভোট। সানাউল্লাহ সানু ছাড়া বাকি প্রার্থীরা কোন নির্বাচনী প্রচারনা চালাননি। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ নেত্রী সালিমা হোসেন শান্তা ১১ হাজার ৩শ’ ৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন বিএনপি নেত্রী এড. মাহমুদা আক্তার ৪ হাজার ১শ’ ৪২ ভোট পান। অপর আওয়ামীলীগ নেত্রী নুরুন্নাহার সন্ধ্যা ১ হাজার ৮শ’ ১০ পেয়েছেন। এদিকে দায়িত্ব অবহেলার দায়ে ধামগড়েরর বুনিয়াদি কেন্দ্রে দায়িত্বরত এসআই সিরাজকে ক্লোজড করেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। এ ব্যপারে সহকারি রির্টানিং অফিসার বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। এ ব্যপারে পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, প্রচন্ড গরমের কারণে ভোটর উপস্থিতি কম দেখা গেছে তবে বন্দরে শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথায় কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *