আজ শুক্রবার | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১ | ২৮ শাবান ১৪৪৬ | দুপুর ২:৩৯

রাজপথে মুখোমুখি দুই দল!

ডান্ডিবার্তা | ০৭ আগস্ট, ২০২৩ | ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট বিএনপির দাবি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায় সরকার। আওয়ামী লীগ চায় সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন। এই দুই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিদিনই কোনো না কোনো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকছে দুই রাজনৈতিক দলই। এতদিন তাদের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্তু গত শনিবার রাজপথে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষের পর বিএনপি আরো সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এদিকে আওয়ামীলীগ নেতাদের দাবি আন্দোলনের নামে আবারো কি রক্তাক্ত হবে রাজপথ? আবারো কি তারা চলন্ত বাসে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি শুরু করেছে? পল্টনের মহাসমাবেশ থেকে গত শুক্রবার ঢাকার প্রবেশ পথে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। আওয়ামী লীগ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে রাস্তা বন্ধ না করতে। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শান্তি সমাবেশে ঘোষণা দেন, বিএনপি রাস্তা বন্ধ করলে তাদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হবে। সরকারি দলও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজনৈতিক অঙ্গন। এরপর গত শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার প্রতিটি প্রবেশপথে সতর্ক অবস্থান নেয় সরকার দলীয় সমর্থকরা। টহল জোরদার করে পুলিশ। র‌্যাব ও বিজিবিকেও টহল দিতে দেখা গেছে। পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করে বেলা ১১টায় বিএনপি তাদের কর্মসূচি শুরুর জন্য অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করে। যান চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ বিএনপি নেতাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। বিএনপি কর্মীরাও অনড় অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশের ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পুলিশ। বিএনপি কর্মীরাও পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। আওয়ামী লীগের কর্মীদের সঙ্গেও বিএনপি কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়। সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কয়েকজন কর্মীও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশের গাড়িতেও হামলা করে তারা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করে। মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড.সাখাওয়াত হোসেন খাঁনসহ দলের একাধিক নেতৃবৃন্দকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। বিএনপির অভিযোগ, পুলিশ বিনা উস্কানীতে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। তাদের দাবি শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। গত শনিবারের ঘটনার জন্য পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলকে দায়ী করে তারা। বিএনপি ফের পুরনো মূর্তিতে আর্ভির্ভূত হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আঃ হাই বলেন, বিএনপি আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিএনপির আন্দোলন মানেই জ্বালাও পোড়াও, অগ্নিসংযাগ, মানুষ পুড়িয়ে মারা। এটা তাদের পুরনো অভ্যাস। তারা কোনোদিনই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে পারবে না। জেলা বিএনপির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, বিএনপি গনতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলন করছে। কিন্তু সরকার দলীয় ক্যাডার এবং পুলিশ বাহিনী বিএনপির গনতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা প্রদান করছে। দলীয় নেতৃবৃন্দের উপর হামলা মামলা চালিয়ে গনতন্ত্র হরন করছে। বিএনপির উপর দুষ চাপাতে আওয়ামীলীগ তার বাহিনী দিয়ে গুপ্ত ভাবে জ্বাল্ওা পোড়াও করে গাড়িতে আগুন দিয়ে পরিবেশ ণ্ট করছে। আর বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিভন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এ নাটক সাজিয়েছে। বিএনপির কোন প্রকার সহিংস রাজনীতি করে না। বিগত সময় যতগুলি জ্বালাও পোড়াও করা হয়েছে সবকটি আওয়ামীলীগ তার গুপ্ত বাহিনী দিয়ে করিয়ে বিএনপির উপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছে। এরও বিচার এই বাংলার মাটিতে হবে। তিনি আরো বলেন, যত বাধা আসুক না কেন এই অবৈধ সরকারকে না হটিয়ে বিএনপির কোন নেতাকর্মী বাড়ি ফিরে যাবে না।




Your email address will not be published.

Comments are closed.


আজকের পত্রিকা
আজকের পত্রিকা
ফেসবুকে আমরা
পুরনো সংখ্যা
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮  
Copyright © Dundeebarta 2024
ডান্ডিবার্তা