‘পকেট কমিটি’ গঠনের মরিয়া মামুন মাহমুদ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপির পকেট কমিটি করার পায়তারা চালাচ্ছেন মামুন মাহমুদ, এমন অভিযোগ উঠেছে খোদ সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মীদের মধ্য থেকেই। একই সাথে তারা বলছেন, নিজ বলয় এবং পকেট দটোই ভারি করার লক্ষ্যে মামুন মাহমুদ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অন্তভূক্ত প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির পকেট কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছেন।পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলোর দাবি, মামুন মাহমুদ মেয়াদোত্তীর্ন বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটি গঠন করার পক্রিয়া শুরু করেছেন, এটি নিঃসন্দেহে দলীয় কর্মী সমর্থকদের কাছ থেকে প্রশংসা বা সাধুবাদ পাবার দাবি রাখে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যদি তিনি কোনো ধরনের অনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে থাকেন, তাহলে সাধুবাদ বা প্রশংসা পাবার পরিবর্তে ঘৃনা বা ধিক্কার ছাড়া অন্যকিছু জুটবেনা তার কপালে। আর সেটিই তিনি ঘটাতে চলেছেন। সূত্রগুলোর মতে, সাহসী ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে কেবলমাত্র নিজ অনুসারিদের দিয়ে তিনি কমিটিগুলো সাজাতে শুরু করেছেন। আর এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, খুব শিগগিরই মামুন মাহমুদের হজে যাবার কথা রয়েছে। এই কমিটি বানিজ্যের টাকা দিয়ে তিনি হজ করতে যাচ্ছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। তাই তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, অবৈধ উপার্জনের টাকা দিয়ে হজ করলে তা কি কবুল হবে? নাকি শুধূমাত্র সামজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হজে যাচ্ছেন? অপরদিকে এসব কমিটি গঠনে স্থানীয় বিএনপির অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ন নেতার সাথেও কোনো ধরনের আলাপ আলোচনা বা পরামর্শ গ্রহণ করছেন না বলেও মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে জানতে জেলা ও স্থানীয় বিএনপির গুরুত্বপূর্ন নেতা আব্দুল হাই রাজুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অর্থের বিনিময়ে কমিটি দেয়া হচ্ছেকিনা আমার জানা নাই। তবে কারো সাথে আলাপ আলোচনা না করে নিজের খেয়াল খুশিমত এই যে কমিটিগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে, তাতেতো দলের অস্তিত্ব ভয়াবহ সংকটে পড়বে। এসময় তিনি আক্ষেপ করে বলেন, অযোগ্যদের হাতে দলের নেতৃত্ব তুলে দেয়ার কারনে দলের ভবিষ্যৎ কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় আল্লাহ্ই জানে। এদিকে এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগর চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। প্রসঙ্গত, সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকাটি মহানগর অন্তর্ভূক্ত হলেও কেন্দ্রী কমিটির নির্দেশে এই থানা এলাকাটুকু জেলা বিএনপির অন্তুর্ভূক্ত করা হয়েছে। তবে, সহযোগি সংগঠনগুলো আবার মহানগর কমিটির অন্তর্ভূক্তই রাখা হয়েছে। ফলে, বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি জেলার অন্তুর্ভূক্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি অথবা জেলা বিএনপি অনুমোদন দিবে এবং সহযোগি সংগঠনগুলো মহানগরে গঠিত সহযোগি সংগঠন অনুমোদন করবে।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *