নেতাদের ভুল সিদ্ধান্তে কর্মীরা হতাশ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নেতাদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে নারায়ণগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। নেতায় নেতায় কোন্দলে কর্মীরা এখন হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এরফলে বিএনপির কর্মসূচীতে কর্মীদের উপস্থিতি এখন আর চোখে পড়ে না। একই সাথে নেতাদের কমান্ড মানছে না দলের তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। অঙ্গ সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী এখন দলের শীর্ষ নেতাদের দিক নিদের্শনা দিতে শুরু করেছে। কর্মীদের অভিযোগ দলের শীর্ষ নেতাদের বিরোধের কারণেই বিএনপির এ অবস্থা হয়েছে। একাধিক বলয় তৈরী হওয়ায় দলের শীর্ষ নেতাদের কেউ মানতে চাচ্ছে না। দলের শীর্ষ নেতারা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনে বিরোধ সৃষ্টি করছে এমন অভিযোগ কর্মীদের। তবে এসব নেতারা যদি আর একটু সর্তক হয় তা হলে বিএনপির বিরোধ ও অস্থিরতা কমে আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে, একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর বিএনপির নেতাকর্মীরা যখন হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে তখন নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়া কেন্দ্র। কিন্তু কমিটি দেয়ার পরও সুসংগঠিত হচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। নেতারা ব্যস্ত নিজেদের বলয়কে শক্তিশালী করতে। দলের দু:সময়েও পৃথক ভাবে কর্মসূচী পালন করছে স্থানীয় বিএনপির নেতারা।  অভিযোগ, রয়েছে এসব পদাধারী নেতাদের কারণেই বিএনপির রাজনীতিতে এতো অস্থিরতা। এসব নেতারাই পৃথক পৃথক বলয় তৈরী করে বিএনপির রাজনীতি নিয়ন্ত্রন করতে চায়। আর এ নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পরছে কর্মীরাও। তবে এসব নেতাদের বলয় থেকে শুধু কর্মীদেরই নয়, দলকেও বেড় করে নিয়ে আসা প্রয়োজন। অন্যথায় বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থার আরো অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক বোদ্ধা মহল। সূত্রমতে,নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতি কোন পথে এগুচ্ছে এ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে দলের নেতাকর্মীরা। দলের শীর্ষ নেতাদের বিতর্কিত ভূমিকার কারণে বিএনপির কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এখন সাধারন কর্মীরা নেতাদের একক সিদ্ধান্ত নামতে পারছে না। যে কারণে প্রায় সময়ই বিদ্রোহী হয়েওঠেন অনেক পদ পদবীহীন অনেক নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের এসব স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিএনপির রাজনীতিতে বিরোধ বেড়েই চলছে। বিএনপির শীর্ষ নেতারা কর্মীদের তেমন মূল্যায়ন না করায় কর্মীদের মধ্যের ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। এর ফলে কর্মীরা শীর্ষ নেতাদের কমান্ড মানতে পারছে না। অনেক নেতাকর্মীরা সরসরি দলের শীর্ষ নেতাদের একক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *