কাশীপুরে আওয়ামীলীগ নেতার আক্রোশে বিপাকে ডাইস ক্যামিকেল ব্যবসায়ী সেলিম

 

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

ফতুল্লা থানাধীন কাশীপুরে আওয়ামীলী নেতার গেড়াকলে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উত্তর কাশীপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী। যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। জানাগেছে, গত ১৪ জুন উত্তর কাশীপুর এলাকায় ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শফিউল্লাহ শফি ও যুবলীগ নেতা শাহীন আলম গ্রুপের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরেই শফি ও শাহীনের চলমান দ্বন্দ্ব গত ১৪ জুন সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যায় শাহীন আলম ও তার অনুসারীরা। আর এই সুযোগেই বেপরোয়া হয়ে উঠেন শফিউল্লাহ শফি। ঐ সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তরকাশীর ও শান্তিনগর এলাকার দশটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচূর করে ছিল শফির অনুসারিরা। এদিকে, ঐ সংঘর্ষের ঘটনায় প্রত্যক্ষ ভাবে চারজন জড়িত থাকলেও অনেক নীরহ লোককে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। তাদের মতে, আওয়ামীলীগ নেতা শফি নিজের আধিপত্য ফিরে পেতে মামলায় অনেক নীরহদেরও আসামী করেছেন। আর কোন প্রকার অপরাধ না করেও শফির গেড়াকলে পড়ে ফেরারী হয়ে দিন কাটাচ্ছেন উত্তর কাশীপুর এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক সৈয়দ মো: সেলিম। শফির দায়ের করা মামলার ২নং আসামী করা হয়েছে সেলিমকে। সেলিম দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত সুনামের সহিত থান কাপড় ও ডাইস ক্যামিকেল ব্যবসা করে আসছে। সুচনা এন্টার প্রাইজের মালিক সেলিম নিজে সবাজ সেবায়ও নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও মুজদালেফা জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক তিনি। মূলত শাঞনি আলমের বড় ভাই হওয়ার কারণে তাকে আসামী করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এর আগেও শাহীন আমলের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যাদের ঘায়েল করতে বেশ তৎপর ছিলেন শফিউল্লাহ শফি। তবে সেলিমকে ফাঁসানোর বিষয়টি ভাল চোখে দেখছে না স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, শফির সাথে শাহীনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। আর এই দ্বন্দ্বের কারণে নীরহ সেলিমকে কেন ফাঁসিয়েছে শফি।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *