ধরা খেল বন্দরের প্রকল্প কর্মকর্তা

বন্দর প্রতিনিধি
ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টাকালে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিলকে একচুট ধূঁয়ে দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আলহাজ্ব আবু জাহের। গতকাল রোববার দুপুরে বন্দর উপজেলা পরিষদের প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মুকবুল হোসেনের নামে একটি প্রকল্প দেখিয়ে প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কার্যালয়ের অফিস সহকারি সনজিত বাবু ইউপি সদস্য মকবুলের কাছ থেকে স্বাক্ষর রাখেন বন্দর উপজেলা পরিষদের প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল। পরে তারা ওই প্রকল্প থেকে ৪৪ টন চাউলের অর্থ আত্মসাত করে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে বিষয়টি কলাগাছিয়া ইউনিয়ণ পরিষদের মেম্বার মুকবুল হোসেন জেলা পরিষদের সদস্য আবু জাহেরকে জানালে তিনি রোববার দুপুরে প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল প্রায় ৫ বছর ধরে বন্দর উপজেলায় কর্মরত আছেন। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে তিনি এ উপজেলায় বহাল তবিয়তে রয়েছেন। সেই সাথে অফিস সহকারি সনজিত বাবু ২ বছর পূর্বে চাকুরি থেকে অবসর নেয়ার পরও বহাল তবিয়তে অফিস করছেন। এই দুজনের যোগসাজসে অনিয়ম ও ব্যাপক দুনীৃতির মাধ্যমে রাক লাক টাকা আত্মসাত করছেন বলে জানাগেছে। সনজিত বাবু অবসরের পর গত ফেব্রুয়ারী মাসে সেতু রানী হাওলাদার প্রকল্প ও বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারি হিসেবে যোগদান করলেও রহস্য জনক কারনে বসিয়ে রেখে এ পদে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে সনজিত বাবুকে। এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিলের সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, বিষয়টি আমাদের দপ্তরিক। জেলা পরিষদের সদস্য আবু জাহের তিনি এ কাজটি ঠিক করেনি। আমি আমার কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের বলেন, প্রকল্প কর্মকর্তা ও অফিসের কয়েকজন কর্মচারী ইউপি মেম্বার ও আমার আত্মীয় মকবুল হোসেনের কাছ থেকে স্বাক্ষর রেখে একটি ভ’য়া প্রকল্প দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের চেষ্টার সংবাদ পেয়ে আমি প্রকল্প কর্মকর্তার দপ্তরে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করতেই তিনি আমাকে বলেন, এটা তার দাপ্তরিক বিষয়। আমি এ ঘটনার প্রতিবাদ করি। বিষয়টি আমি উর্ধতন মহলে অবগত করবো।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *