অবশেষে বৈধতা পেল চাষাড়ার অবৈধ হাটের বৈধ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট

নানা সমালোচনা আর আলোচনার মধ্যে গত এক সপ্তাহ ধরে শহরের বসানো পশুর অবৈধ হাট উচ্ছেদ করতে পারেনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এবং জেলা প্রশাসন। শহরের প্রাণ কেন্দ্র চাষাড়ায় বসা এই হাট নিয়ে শহরময় ব্যাপক সমালোচনার পর সিটি করপোরেশন তা উচ্ছেদ করতে

এসেও মাত্র ৬ লাখ টাকা ‘খাস আদায়’ করে এর বৈধতা দিয়ে যায়। গতকাল শনিবার বিকেল চারটার দিকে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী এহতেশামূল হকের নেতৃত্বে একটি দল স্বশরীরে এসে এই খাস আদায়ের বিনিময়ে হাটর বৈধতা দেয়া হয়। এ নিয়ে সর্বমহলেই চলছে নানা সমালোচনা। সিটি করপোরেশনের এহেন কর্ম নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, মেয়র আপসহীন ভাবে এতদিন চললেও এবার এই একটি জায়গাতেই আপস করে নিয়েছেন। কারো কারো মতে, হয়তো এর নেপথ্যে বিশেষ কোনো কারণ থাকতে পারে। নয়তো হাট উচ্ছেদ করতে এসে খাস আদায়ের মাধ্যমে কেন বৈধতা দিবে? তাছাড়া অনেকই বলছেন, রাইফেল ক্লাবের শ্যূটিং সম্পাদক ইমরুল কায়েস যে স্থানটিতে হাট বসিয়েছেন সেখানে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে দরপত্র আহ্বান করলে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা দর পাওয়া যেত। কিন্তু সেখানে মাত্র ৬ লাখ টাকাতেই রফাদফা! এতে করে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এহতেশামূল হক হাটে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, হাটটি ইজারা দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে সম্মতি চেয়েও তা পাইনি। ফলে আজ স্বশরীরে হাট উচ্ছেদ করতে আসা হয়। কিন্তু হাট বসে গেছে, অনেক বেপারীও গরু নিয়ে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে সার্বিক বিবেচনা বোধ এবং মানবিক বোধ থেকে হাটটির অনুমতি দিয়েছি। বিনিময়ে ৬ লাখ টাকা এখান থেকে খাস আদায় করা হয়েছে। এদিকে এ প্রসঙ্গে জানতে হাট বসানো ব্যক্তি চাষাড়া রাইফের ক্লাবের শ্যূটিং সম্পাদক কাজী ইমরুল কায়েসের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সেটি রিসিভ করেননি। ফলে তার পক্ষ থেকে কোনো ধরণের বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৪ মার্চ নারায়ণগঞ্জ

জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদকে ‘বাংলার সিংহাম’ উপাধি দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দ জানিয়ে শহরে ব্যানার সাটিয়ে আলোচনা এসেছিলেন চাষাড়া রাইফেল ক্লাবের শ্যূটিং সম্পাদক কাজী ইমরুল কায়েস।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *