আজ বৃহস্পতিবার | ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১ | ৪ শাওয়াল ১৪৪৬ | সকাল ৮:৫৭
শিরোনাম:
ঈদের ছুটিতে সোনারগাঁয়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়    ♦     আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার    ♦     সিদ্ধিরগঞ্জে ফার্নিচার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড    ♦     নারায়ণগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে প্রথম জামাতটি হবে সকাল ৮ টায়    ♦     ঈদের ছুটিতে ২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন প্রায় ৪১ লাখ সিমধারী    ♦     ঈদ মোবারক    ♦     রূপগঞ্জের রিয়াজ বাহিনীর গুলিবিদ্ধ পথচারীর মৃত্যু    ♦     সৌদিআরবের সাথে মিল রেখে ফতুল্লায় ঈদ উদযাপন    ♦     আড়াইহাজারে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা    ♦     নারায়ণগঞ্জ শহরে বেপরোয়া পরিবহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান    ♦    

নাশকতার পিছনে আসলে কারা?

ডান্ডিবার্তা | ২৬ জুলাই, ২০২৪ | ১২:০৮ অপরাহ্ণ

মন্তব্য প্রতিবেদন

হাবিবুর রহমান বাদল

টানা ৪৬ দিন চরম উত্তজনা আর উৎকন্ঠার মধ্যে দিন কাটিয়েছে দেশবাসী। গত রোববারের সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এর মধ্যেও গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দেশব্যাপি রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর চালানো হয়। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ এই নাশকতামূলক কর্মকান্ডের সাথে কোন অবস্থাতে জড়িত নয় মন্তব্য করে এ ধরনের হামলা ও অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানিয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের সুযোগে যেসব স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে সেসকল স্থাপনা যে খুবি গুরুত্বপূর্ণ তা সাধারন ছাত্রদের জানার কথা না। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার ভবন, মেট্রোরেল, টোল প্লাজা, সিটি কর্পোরেশনের ভবনসহ ডাটা ভবনের মত গুরুত্বপূর্ণ ভবনে অগ্নিসংযোগ করার কারনে ৬ দিন যাবত ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় দেশবাসী যেমন অন্ধকারে রয়েছেন তেমনি বহিঃবিশে^র সাথে যোগাযোগ অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। এ হামলার কারনে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। নাশকতাকারীদের হামলা ও অগ্নিসংযোগের মূল কারন যে, বাংলাদেশকে পিছনে নিয়ে যাওয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েনের পর পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রনে আসলেও নাশকতাকারীরা এখনো বিভিন্নস্থানে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছে। ছাত্র সমাজের মূল দাবি ছিল কোটা বাতিল করা। এলক্ষ্যে তারা আন্দোলনে নামার পর আদালত থেকে স্থিতিশীল অবস্থা জারি করলেও বিভিন্ন মহল ছাত্রদের প্রকৃত চিত্র না বুজিয়ে কোন কোন রাজনীতিবীদ ছাত্রদের বিরুদ্ধে নিজেদের ছাত্র সংগঠনকে উষ্কে দিয়ে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করে তুলে। রংপুরে সাধারন নিরস্ত্র ছাত্র আবু সাঈদকে প্রকাশ্যে দাড়ানো অবস্থায় হত্যার পর সাধারন ছাত্র ছাত্রীরা ফুঁসে উঠতে থাকে। অভিভাবক মহলেও সহানুভ’তি দেখা দেয়। ছাত্র আন্দোলন বেগবান হয়ে উঠলে ছাত্ররা আন্দোলনের পাশাপাশি আলোচনার কথাও বলতে থাকে। আর ঠিক তখনি, দেশ বিরোধী একটি শক্তি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক তান্ডব চালায়। নরসিংদীতে কারাগার ভেঙ্গে জেএমবির সদস্যসহ অপরাধীদের মাঠে ছেড়ে দেয়া হয়। নাশকতাকারীরা সরাসরি সংঘর্ষে লিপ্ত হলে নিহত হয় সাধারন মানুষ। এঅবস্থায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দেশে সেনা মোতায়েনসহ কারফিউ জারি করা হয়। পরিষিÍতি দিন দিন স্বাভাবিক হয়ে আসলেও বিভিন্নস্থানে চোরাগোপ্তা হামলা ও ভাংচুরের খবর পাওয়া যাচ্ছে। জনগনের টাকায় গড়া হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ এভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার পেছনে কারা দায়ি তাদের নিরপেক্ষভাবে চিহ্নিত করা উচিত। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল নয় বরং প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে সকল হত্যাকান্ডের বিচার বিভাগীয় সঠিক তদন্ত হওয়া বলে সাধারন মানুষ মনে করে। একি সাথে সরকারের অভ্যন্তরে কোন ষড়যন্ত্রকারী ঘাঁপটি মেরে আছে কিনা কিংবা এ নাশকতার পেছনে ইন্দন জগিয়েছে কিনা সবকিছুরই সঠিক তদন্তের দাবি রাখে। এখানে গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ব্যর্থতাকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার নারায়ণগঞ্জে যে নাশকতা চলেছে তা পূর্ব পরিকল্পিত একথা সহজে অনুমেয়। যেসকল প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে সবকিছুর সাথেই সাধারন মানুষের স্বার্থ জড়িত। এসব নাশকতার পেছনের মহা পরিকল্পনাকারী যে কাজ করেছে তা বুজতে কারো বাকি নেই। দেশের সামগ্রিক স্বার্থে এসব ঘটনায় প্রকৃত অর্থেই যারা জড়িত তদন্তপূর্বক তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হউক। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা নয় বরং সত্যিকার অর্থে যারা নাশকতার সাথে জড়িত তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে জন সম্মুখে এদের মুখোশ উন্মোচন করা হউক। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে বার বার পিছনে নেয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। বাঙ্গালী বারবার এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে গুড়ে দাড়িয়েছে। তাই যারা নাশকতা করে ফায়দা লুটার চেষ্টা করেছে যাদের কারনে সাধারন মানুষকে চরম উৎকন্ঠার মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে তাজা প্রান হারানোসহ হাজারো কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হউক এমনটাই চায় সমগ্র দেশবাসী। কারন, বাঙ্গালী বারবার সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখেভ দাড়িয়ে প্রমান করেছে বাঙ্গালী হারতে জানে না।




Your email address will not be published.

Comments are closed.


আজকের পত্রিকা
আজকের পত্রিকা
ফেসবুকে আমরা
পুরনো সংখ্যা
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
Copyright © Dundeebarta 2024
ডান্ডিবার্তা