মদনপুরে বেপোরোয়া খলিল-কাবিলা বাহিনী

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
বন্দরের মদনপুরে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসী খলিল মেম্বার, কাবিলাসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। আদালত থেকে জামিনে এসে পূণরায় মদনপুর স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজী অব্যহত রেখেছে। এমন কথা জানিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পরিবহন শ্রমিক জানান, সম্প্রতি খলিল মেম্বার বাহিনী অন্যতম সদস্য এছহাক, সাত্তার, বাচ্চু, দিপু, সুজন, মাঈনউদ্দিন, মুকুল, মোক্তার, হান্নান ও সেলিমসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদা উত্তেলণ করে। এই সময় চাঁনপুর টু পরার্পদি রুটের অটো ও সিএনজি ড্রাইভাররা দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় উল্লেখিত চাঁদাবাজরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রুটের চালকদের নানা ভাবে হুমকি ধামকি দেয়। পরিবহন শ্রমিক নেতারা বিষয়টি কামতাল তদন্ত কেন্দ্রেকে অবগত করলে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনর্চাজ এসআই আনোয়ার হুমানইনসহ তার সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে আসলে ওই সময় খলিল বাহিনী লোকজন পুলিশ আসার সংবাদ পেয়ে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে কামতাল ফাঁড়ী ইনর্চাজ আনোয়ার হুসাইন জানান, জামিনে বের হয়ে খলিল বাহিনী আরো দুধর্ষ হয়ে উঠেছে। খলিল মেম্বারসহ তার লোকজন জামিনে বের হলে তার পরের দিন তারা দুপুরে স্ট্যান্ডে এসে সিএনজি ও অটো চালকদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে। সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে আসলে তারা পালিয়ে যায়। বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী খলিল মেম্বার বাহিনীর চাঁদাবাজী কবল থেকে রেহাই পাওয়ার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছে মদনপুর এলাকাবাসী। বন্দর থানা সূত্রে জানা গেছে, হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দখলবাজী, পুলিশের উপর হামলা, অস্ত্র লুটসহ বিভিন্ন অপরাধে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে। খলিল মেম্বার বিরুদ্ধে প্রায় এক ডজন, কাবিলার বিরুদ্ধে ২২টি এবং এই বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী মনিরুজ্জামান মনুর বিরুদ্ধে ৬৭টি মামলা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। চাঁদাবাজির কারণে খলিল মেম্বার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে বন্দর থানায় রুজু হয়। এছাড়া মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা রয়েছে। মামলা দুটিতে তার নামে চার্জশিটও দাখিল হয়েছে। এতকিছুর পরও আইনের ফাঁক দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে দূর্ধর্ষ হয়ে উঠেছে খলিল-কাবিলা বাহিনী। বন্দরে শীর্ষ সন্ত্রাসী খলিল মেম্বার বাহিনীর চাঁদাবাজী কবল থেকে রেহাই পাওয়ার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ এবং এলিট ফোর্স র‌্যাবের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছে মদনপুর এলাকাবাসী।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *