শামীম ওসমানেই উজ্জিবীত না’গঞ্জ আওয়ামী লীগ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
সাংসদ শামীম ওসমানেই উজ্জিবীত নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ। তা আরো একবার জানান দিলেন সাংসদ শামীম ওসমান। শনিবারের সমাবেশ বিগত দিনের যে কোন সময়ের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে শামীম ওসমান ও তার কর্মী সমর্থকরা। এই সমাবেশ নিয়ে শামীম বিরোধী শিবির নড়েচড়ে বসেছে। সমালোচনা করারও ভাষা হারিয়ে ফেলেছে তারা। তবে সাংসদ শামীম ওসমান সমাবেশের ডাক দিলে তা মহাসমাবেশে রূপ নেয় এটা আরো একবার প্রমান করলেন। আর এই সমাবেশের মধ্যদিয়ে অনেক কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছেন শামীম ওসমান। এদিকে শামীম ওসমানের সমাবেশের পর চুপসে যাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। বিগত ৮ মাস ধরে শামীম ওসমান পন্থি নেতাকর্মীরা নানা কারণে কোনঠাসা হয়ে পরলেও শনিবারের সমাবেশের পর থেকে নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বোদ্ধা মহলের মতে, সাংসদ শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে প্রাণ ভমরা হিসেবে পরিচিত। নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে কিংবা উজ্জিবীত করতে সাংসদ শামীম ওসমানের একটি সমাবেশই যথেষ্ট। সাংসদ শামীম ওসমানকে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রাণ পুরুষ হিসেবেই জানেন দলের নেতাকর্মীরা। তার ডাকে মুহুর্তের মধ্যে লাখো নেতাকর্মী জড়ো হোন রাজপথে। বাকপটু এই নেতার বক্তব্য শুরু হলে সভাস্থলে সুনশান নিরবতা নেমে আসে। তার বক্তব্য দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাও মনোযোগ দিয়ে শোনেন। শনিবারের সমাবেশেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। সাংসদ শামীম ওসমানের ডাকে জেলার বিভিন্ন স্থানের নেতাকর্মীরা শহরের সমাবেশে যোগদান করেন। এই সমাবেশের পর থেকে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। বিশেষ করে সাংসদ শামীম ওসমানের অনুসারীরা উজ্জিবীত হয়েছে। সমাবেশে সাংসদ শামীম ওসমানের বক্তব্য দলীয় নেতাকর্মীরা নতুন করে রাজনীতির মাঠে ফিরতে শুরু করেছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে। সমাবেশে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সাংসদ শামীম ওসমান বিগত দিনের অনেক স্মৃতি চারণ করেন। তিনি বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জে ঘটনা ঘটেছে ১নং ওয়ার্ডে। মামলার আসামী দেওয়া হলো ১ হতে ১০নং ওয়ার্ডে। ৭৫ জনের নাম উল্লেখ সহ ৪৯৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলো। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৭০ ভাগ ও বাকি ৩০ ভাগ ব্যবসায়ী। তারা সকলেই আওয়ামী লীগের সাচ্চা কর্মী ও ব্যবসায়ী। মামলার বাদী পরে বলেছেন মামলায় তার সাক্ষর জালিয়াতি করেছেন। সেখানে সেলিম নামের পুলিশ এসব কাজ করেছেন। আসামীর তালিকা করেছেন। সিদ্ধিরগঞ্জ হলো নারায়ণগঞ্জের গোপালগঞ্জ। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারকে ডেকেছিলাম। অনেক চৌকষ পুলিশ অফিসার। সিদ্ধিরগঞ্জের ঘটনার পর আমি কথা বলেছিলাম। পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না। অতি উৎসাহী পুলিশ অফিসার ষড়যন্ত্র করছে। কিছু অফিসার আছে সংখ্যায় কম নিজেরা শিবির টিবির করতো, নয়তো বাপ দাদা রাজাকার ছিল। তিনি আমাকে কথাও দিয়েছেন নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না। আর যেসব পুলিশ কর্মকর্তারা গেম করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা এখন চাইলে নারায়ণগঞ্জকে অবরুদ্ধ করে করতে পারি। আমরা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেটের মহাসড়ক কেউ খোলার ক্ষমতা রাখে না। এই খেলা আমাদের খেলার অভ্যাস আছে। এইগুলি নিয়া কেউ খেইলেননা। সুতরাং আমাদের সঙ্গে খেলবেন না। কাকে খেলা শেখাবেন। আমরা তো অনেক ছোট বেলার খেলোয়াড়। যাদের এসএ আরএস সিএস পর্চার আওয়ামী লীগ তাদেরকে খাস বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর যারা খাস ছিলো তারা আজকে আওয়ামী লীগ। এসব যখন দেখি তখন কষ্ট লাগে। খুব কষ্ট লাগে।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *