“শীর্ষ নেতাদের দৃশ্যমান দ্বন্দ্বের কারণে কর্মসূচীতেই রাজপথে তাক্ লাগাতে পারেনি জেলা আওয়ামীলীগ” বির্তক পিছু ছাড়ছে না ওনাদের!

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পর থেকেই নানা বিতর্কের জন্ম দিয়ে আসছে। কমিটি পূর্ণাঙ্ হওয়ার পর থেকে এখনো পর্যন্ত জেলা আওয়ামীলীগের নেতারা একটেবিলে সবতে পারেনি। শীর্ষ নেতাদের দৃশ্যমান দ্বন্দ্বের কারণে কর্মসূচীতেই রাজপথে তাক্ লাগাতে পারেনি জেলা আওয়ামীলীগ। তবে গত ২১ আগস্ট চাষাড়া শহীদ মিনারে সাংসদ শামীম ওসমানের কল্যানে ব্যাপক ভাবে কর্মসূচী পালন করতে সফল হয়েছিল জেলা আওয়ামীলীগ। যদিও ঐ অনুষ্ঠানে জেলা আওয়ামীলীগের একাংশ নেতারা উপস্থিত ছিলেন না। এরআগে সোনারগাঁ আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ বাদল। এরপর হাই-বাদলের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে নালিশ দেয় জেলা আওয়ামীলীগের একাংশ নেতারা। অথচ ঐ বির্তকিত কমিটির সভাতে গিয়ে সোনারগাঁয়ে অবরুদ্ধ হয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন আব্দুল হাই ও আবু হাসনাত শহিদ বাদল। জানাগেছে, সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের ওটমা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনের আয়োজন করেছেন সামসুল ইসলাম ভুইয়া, ডাঃ আবু জাফর চৌধুরী বিরু ও ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম। একই স্থানে কায়সার হাসনাত, মাহফুজুর রহমান কালাম, মোশারফ হোসেন একটি সমাবেশের আয়োজন করেন। পরবর্তিতে ডাঃ আবু জাফর চৌধুরী বিরুর বাড়িতে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলে অবরুদ্ধ করা হয় হাই ও বাদলকে। এদিকে এঘটনাকে কেন্দ্র করে ওটমা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ সভা ডাকা সমাবেশ নিয়ে দিনভর ছিল টান টান উত্তেজনা। এক পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসন সেখানে উভয় গ্রুপকে সমাবেশ করতে বাধা দিলে সংঘর্ষে আশংকায় বিকেলে পুলিশ পাহাড়ায় সভাস্থল ত্যাগ করে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভা করেছেন আওয়ামীলীগের বিরুর বাড়িতে। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারী সহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগ দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটিভাগে বিভক্ত হয়ে তাদের কর্মসূচী পালন করে আসছে। সম্প্রতি সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটি নিয়ে নানা বির্তক থাকলেও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তা কর্নপাত করছেন না। অভিযোগ রয়েছে, সোনারগাঁ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে থাকা দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যো না দিয়ে উল্টো আরো বিভাজন সৃষ্টি করছেন হাই ও বাদল। অনুসন্ধানে জানাগেছে, জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনার পর নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্বে নেপথ্যে হাই ও বাদলের নাম উঠে আসছেচ। এরা বিভিন্ন সময়ে ওসমান পরিবার ও অথবা চুনকা পরিবারের পাশে থেকে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। অথচ এই দুইজন উদ্যোগ নিলেই ওসমান পরিবার ও চুনকা পরিবারের দ্বন্দ্ব স্থায়ী ভাবে নিরসন হত বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *