কাঁচপুর ওসি’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

ডান্ডিবার্তা রিপোর্ট
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুমের গত দুই বছরের ব্যাপক চাঁদাবাজির তালিকার মূখশ উম্মোচন হয়েছে। ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সকল শ্রেনীর পরিবহন মাশোহারা ও সড়ক পথের পাশে থাকা অবৈধ ফুটপাত বসিয়ে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ওসি’র অভিযুক্ত দুর্নীতির উৎকোচ বাণিজ্যর শতাধিক পরিমান প্রমান চিত্র রয়েছে। জানাগেছে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেইন টার্নিং পয়েন্টের-সিএনজি পাম্পসহ এলাকার প্রায় ছয় শতাধিক সকল ফুটপাত থেকে ৬ লক্ষ টাকা ও প্রতিদিন পরিবহন কাউন্টার প্রতি ১’শ টাকা, মেঘা কমপ্লেক্স প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা, পরিত্যক্ত সোনারগাঁ পাম্পের মধ্যে প্রায় তিন শতাধিক ফুটপাত থেকে ওসি যোগদান করার পূর্বেই এ্যাডভান্স ১ লক্ষ টাকা এবং প্রতি মাসে ১ লক্ষ টাকা নেন পাম্প ব্যবসায়ী মান্নান মেম্বার ও পরিচালনায় নজরুল মিয়ার কাছ থেকে , ‘হাইওয়ে থানা সংলগ্নে সোনাপুর রোডস্থ্য- সিএনজি, ইজিবাইক, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ৪০ হাজার টাকা এবং থানা সংলগ্নে থানার দেওয়াল ঘিরে উত্তালন অবৈধ দোকানপাট মোট ৫টি- বেকারী খোকন প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা-এ্যাডভান্স ২ লক্ষ, বিরিয়ানীর দোকান ১০ হাজার টাকা-এ্যাডভান্স ২ লক্ষ, আরও দুটি চা দোকান থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা এবং জন প্রতি এ্যাডভান্স নেন ২ লক্ষ ও ফিরোজ ডিমের দোকান মাসে ৪ হাজার, নিজ খরচে দোকান উত্তালন ৫০ হাজার টাকা। ‘যাত্রামুরা- সিএনজি, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা, ‘ তারাব- ফুটপাত, সিএনজি, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা ষ্ট্যান্ড থেকে হাশেম নামে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা থানা কক্ষে নিয়ে পৌছে দেন, ‘বরাব- ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা, ‘বরপা- বাস ষ্ট্যান্ড থেকে ৩০ হাজার টাকা, ‘ রুপসি- বাস ষ্ট্যান্ড ৩৫ হাজার টাকা, ‘গাউছিয়া- প্রাইভেট রেন্টেকার, ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি বাসষ্ট্যান্ড থেকে ২ লক্ষ টাকা,‘ গোলাকান্দাইল- ষ্ট্যান্ড থেকে ৭০ হাজার টাকা,‘ নয়াপুর- ষ্ট্যান্ড থেকে ৪০ হাজার টাকা,‘ ললাটি- ষ্ট্যান্ড থেকে ১০ হাজার টাকা,‘ মদনপুর- ফুটপাত, নতুন প্রাইভেট রেন্টেকার, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা,‘ জাঙ্গাল- বিএসআরএম-রডের গোডাউন থেকে ১ লক্ষ টাকা ও ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড ৩০ হাজার টাকা,‘ কেওঢালা- ষ্ট্যান্ড থেকে ২৮ হাজার টাকা,‘ জামপুর- ষ্ট্যান্ড থেকে ২০ হাজার টাকা,‘ লাঙ্গলবন- ষ্ট্যান্ড থেকে ১০ হাজার টাকা,‘ মোগরাপাড় বাসষ্ট্যান্ড- প্রাইভেট বা মাইক্রো রেন্টেকার থেকে ২০ হাজার টাকা এবং ২টি পিকআপ ষ্ট্যান্ড থেকে ৫/৫ দশ হাজার টাকা ও ফুটপাত, ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি উভয় রাস্তার ষ্ট্যান্ড থেকে ২ লক্ষ টাকা , মেঘনা- প্রাইভেট বা মাইক্রো রেন্টেকার ৪০ হাজার টাকা এবং পিকআপ ষ্ট্যান্ড থেকে ৫০ হাজার টাকা ও ইজিবাইক, লেগুনা, অটোরিক্সা, সিএনজি ষ্ট্যান্ড ৭০ হাজার টাকা। অন্যদিকে যারা তার স্ব-চোঁখে অর্থবিহীন অভিযুক্ত সচেতন অটোরিক্সার গ্রেজ মালিক, পুলিশকে অবৈধ অর্থ দিতে নাখোশ, তাদের রিক্সা সড়কে উঠলে পুলিশ ধরে থানায় আক্রিয়ে রিক্সা প্রতি ৫/১০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন। এধরনের ৩০/৪০ জন তিন চাকা চালক ভোক্তভোগীর ভিডিও চিত্র রেকর্ডসহ সাক্ষাৎকার রয়েছে ও বন্দর এবং সোনারগাঁ এলাকার ইটভাটার মাটির প্রজেক্ট ঠিকাদার- হানিফ প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা, ফারুক ৫০ হাজার টাকা, শহিদ ৫ হাজার টাকা, শরিফ ২০ হাজার টাকা, মামুন ৩০ হাজার টাকা। এ সকল অভিযুক্ত ব্যবসায়ী কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ও প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন বলে একাধিক মাধ্যম থেকে জানাগেছে। এ বিষয় পরিবহন ভোক্তভোগীরা হাশেম, রহিম, জাহাঙ্গীর, পারভেজ , ইমতিয়াজসহ ৫০/৬০ জনে জানান, ওসি’র অবৈধ অর্থের লোভ লালসা অনেকটা বেশী। অর্থ হলে তার কাছে সকল কিছু সম্ভব। অর্থ নেই সে সকল পরিবহন তার অনুমতি ক্রমে পুলিশ-ডাম্পিং এ চলে যায়। মহাসড়ক পথে যে সকল পরিবহন প্রবেশ করার সরকারী বিধান নেই। সে সকল পরিবহন অর্থের বিনিময় টোকেন প্রদান করে থাকেন। সাধারন ব্যবসায়ীরা তার অপ-কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান। এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসিকে মুঠোয়ফোনে জানতে চাইলে বলেন, ভাই ফুটপাত চাঁদাবাজি ও পরিবহন চাঁদাবাজি, যে সকল বলেছেন, সর্ব প্রকার মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্যে। কোন প্রকার সত্যতা নেই। এ কথা বলে তার ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন রেখে দেন।

About ডান্ডিবার্তা

View all posts by ডান্ডিবার্তা →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *